ফিঞ্চ-আগারওয়ালকে আউট করে যেভাবে রেকর্ড গড়লেন সাকিব(ভিডিও)

4169

আগের ম্যাচে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে কোনমতে একশ পার করেও বোলারদের নৈপুণ্যে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছিল হায়দরাবাদ। পাঞ্জাবের বিপক্ষে মাঝারি সংগ্রহ গড়ে সেই বোলারদের ডিঙিতেই ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে সাকিবদের দল। ১৩ রানের দুর্দান্ত জয়ে মাঠ ছেড়েছে।

বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রানের সংগ্রহ গড়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জবাব দিতে নেমে ৪ বল হাতে রেখে ১১৯ রানেই গুটিয়ে যায় কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।

সাকিব ব্যাট হাতে ধীরগতির কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ছোট্ট একটি ইনিংস খেলেছেন। পরে বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। শুরুর বিপর্যয়ের পর ২৯ বলে ২৮ রান করেছেন। আর ৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৮ রানে ২ উইকেট ঝুলিতে। মায়াঙ্ক আগরেওয়াল ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই ফিরিয়ে দেন তাকে।
আগারওয়ালকে যেভাবে আউট করলেন সাকিব:

পরবর্তীতে আর এক ভয়ঙ্কর ব্যাটসম্যান অ্যারন ফিঞ্চকে সাজঘরে পাঠান। তাতে আইপিএলে নিজের ৫০তম ম্যাচে এসে উইকেটের ফিফটিও পূর্ণ করেছেন সাকিব।
ফিঞ্চকে যেভাবে আউট করলেন সাকিব:

হায়দরাবাদের সব বোলারই আসলে জয়ে অবদান রেখেছেন। সন্দীপ শর্মা ৪ ওভারে ১৭ রানে ২ উইকেট, রশিদ খান সমান ওভারে ১৯ রানে ৩ উইকেট, বাসিল থাম্পি ২.২ ওভারে ১৪ রানে ২ উইকেট নিয়ে পাঞ্জাবের রাস্তা কঠিন করেছেন।

কিংসদের টপঅর্ডারে লোকেশ রাহুল ৩২, ক্রিস গেইল ২৩, আগরেওয়াল ১২, করুন নায়ার ১১ রানে শুরু করেও এগোতে পারেননি। পরের ছয় ব্যাটসম্যানের কেউ তো দুই অঙ্কের কোটাই ছুঁতে পারেননি।

এর আগে শূন্য রানেই সাজঘরে ফেরার রাস্তা তৈরি করা সাকিব বেঁচে যান নো বলের কল্যাণে! ক্রিজে এসে বারিন্দার স্রানের দ্বিতীয় বলেই ডিপ থার্ডম্যানে ক্যাচ দিয়ে বসেন টাইগার তারকা। ফিল্ডার ক্যাচও লুফে নেন। কিন্তু বল ডেলিভারির বৈধতা নিয়ে সন্দেহ হয় আম্পায়ারের। তাতেই বেঁচে যান সাকিব।

রিপ্লে’তে দেখা যায়, ডেলিভারির সময় নির্দিষ্ট দাগ অতিক্রম করে ফেলেছেন স্রান। যাতে শূন্য রানে ফেরার বদলে ফ্রি-হিট পেয়ে যান সাকিব। তাতে চার মেরেই রানের খাতা খোলেন।

অবশ্য খুব বেশিদূর যেতে পারেননি সুযোগ কাজে লাগিয়ে। মুজিব-উর-রহমানের ঘূর্ণি ডেলিভারিতে ফিরেছেন সাজঘরে। আফগান স্পিনারের বলে স্লোগ খেলতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে মিড উইকেটেই ধরা পড়েন। ২৯ বলে ২৮ রানের অবদানে তিনটি চারের মার।

মনিষ পান্ডের সঙ্গে সাকিবের ৫২ রানের জুটিই অবশ্য লড়াইয়ের ভিত গড়ে দেয়। ইনিংস সর্বোচ্চ ৫৪ রান এসেছে মনিষের ব্যাটে। ৫১ বলে তিন চার এক ছক্কায় সাজানো। ২১ রান করেন ইউসুফ পাঠান।

বাকিদের মধ্যে কেন উইলিয়ামসন (০), শেখর ধাওয়ান (১১), ঋদ্ধিমান সাহা (৬) ব্যাটে দায়িত্ব নিতে পারেননি।

কিংসদের হয়ে সানরাইজার্সের কোমর ভেঙেছেন অঙ্কিত রাজপুত। চার ওভারে মাত্র ১৪ দিয়ে নিয়েছেন ৫ উইকেট। অন্য উইকেটটি মুজিব-উর-রহমানের।