তামিমের সঙ্গে ‘দ্বন্দ্বের’ ইস্যুতে মুখ খুললেন হেড কোচ হাথুরাসিংহ

এশিয়া কাপের ঠিক আগমুহূর্তে হুট করেই ওয়ানডে ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। সে সময় গুঞ্জন ওঠে হেড কোচ চান্ডিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গে চলমান শীতল সম্পর্কের জের ধরে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বাঁহাতি এই ব্যাটারকে।

যদিও অধিনায়কত্ব তিনি ছেড়েছিলেন পিঠের ইনজুরির কারণে। সেই ইনজুরি তাকে ছিটকে দেয় এশিয়া কাপ থেকেও।

এর কিছুদিন পর এক সাক্ষাৎকারে তামিম বলেছিলেন, নতুন কোচ ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসান কোনো যোগাযোগ করেননি তার সঙ্গে।

আর তাতে করেই নতুন করে আরও একবার গুঞ্জন ওঠে সাকিব-হাথুরুর সঙ্গে চলছে শীতল সম্পর্ক।

তামিমের পক্ষে থেকে বেশ কয়েকবার সংবাদমাধ্যমের সামনে দুই পক্ষের চলমান দ্বন্দ্বের বিষয়ে পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত দেওয়া অন্য দুই পক্ষ থেকে মিলছিল না কোনো জবাব।

অবশেষে লম্বা সময় পর মুখ খুলেছেন হাথুরুসিংহে। তামিমের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন লঙ্কান এই কোচ।

সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি দৈনিকের সঙ্গে আলাপচারিতায় এমনটা জানান হাথুরু।

তিনি বলেন, ‘তামিম এরকম কিছু কোথাও বলেছে বলে আমার চোখে পড়েনি (হাসি…)। যোগাযোগ না হওয়ার বিষয়টি সত্যি নয়। তামিম কী করছে না করছে, সবই আমি জানি। ও মেডিকেল বিভাগের অধীনে আছে। ওরাই সব আপডেট আমাকে দিচ্ছে। তামিম কখন ব্যাটিং করছে, কীভাবে করছে, ওর অবস্থার উন্নতি কতটা হচ্ছে, আমি সবই জানতে পারছি। যা করার, পেশাদারের মতোই করছি।’

তামিমের সঙ্গে দ্বন্দ্বের গুঞ্জনের প্রসঙ্গে লঙ্কান এই কোচ বলেন, ‘কথাটা যদি তামিম এসে বলে, তাহলে আমি উত্তর দিতে পারি। যদি অন্য কেউ বলে, আমি জানি না তারা কোত্থেকে এই খবর পেল। তামিম বললে ওর সঙ্গে বসে জিজ্ঞেস করতে পারি, আমি কখন, কোথায় কী করলাম! (হাসি…)। এ বিষয়ে আমার মধ্যে কোনো অস্পষ্টতা নেই। আমি তো জানতামই না যে এরকম কোনো ঘোষণা আসতে চলেছে।’

হাথুরু আরও বলেন, ‘মানুষ কী বলছে শোনার দরকার নেই। কারও সঙ্গেই আমার কোনো অস্পষ্টতা নেই। একতরফা আলোচনায় কান না দিয়ে এরকম মুখোমুখি বসলে আমিও বিষয়গুলো পরিষ্কার করে দিতে পারি।’

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তামিম বলেছিলেন, ‘এখন পর্যন্ত তাদের (হাথুরু-সাকিব) সঙ্গে কোনো আলাপ হয়নি। এখনও আমি বলবো যে, আঙ্গুল শুধু একদিকে দেবো না, দুই দিকেই (তামিম নিজ থেকেও কথা বলতে বা দেখা করতে যাননি) দেবো। শুধু একজনকে দোষ দেওয়া উচিত না। কারণ আমিও তো যোগাযোগ করিনি।’