প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আইসিসির আম্পায়ারদের এলিট প্যানেলে সৈকত

বাংলাদেশের যে কজন আন্তর্জাতিক আম্পায়ার রয়েছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত মুখ শরফুদ্দৌলা ইবনে শহিদ সৈকত। তিনিই প্রথম আম্পায়ার যিনি আইসিসির এলিট আম্পায়ার প্যানেলে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

আইসিসির আন্তর্জাতিক আম্পায়ার প্যানেল থেকে সৈকতকে এলিট প্যানেলে উন্নীত করার সিদ্ধান্তটি আইসিসির বার্ষিক রিভিউ ও নির্বচান প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছে। আইসিসির মহাব্যবস্থাপক (ক্রিকেট) ওয়াসিম খান, সাবেক খেলোয়াড় এবং ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকার, নিউজিল্যান্ডের অবসরপ্রাপ্ত আম্পায়ার টনি হিল এবং পরামর্শদাতা মাইক রিলির সমন্বয়ে গঠিত একটি নির্বাচন প্যানেল এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে গত বছর ভারতে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন সৈকত। যেখানে তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছিলেন। এরপর তিনি নিরপেক্ষ একটি সিরিজেও প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন। গত জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে দায়িত্ব পালন করেন আম্পায়ার সৈকত।

বাংলাদেশি আম্পায়ারিং ইতিহাসে একাধিক কীর্তি গড়া সৈকত এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৩টি টেস্ট, ৮৫টি ওয়ানডে এবং ৫৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ১০০টি ম্যাচ পরিচালনা করারও কীর্তি আছে তার।

আইসিসি এলিট প্যানেল আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা), ক্রিস্টোফার গ্যাফফানি (নিউজিল্যান্ড), মাইকেল গফ (ইংল্যান্ড), অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টক (দক্ষিণ আফ্রিকা), রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ (ইংল্যান্ড), রিচার্ড কেটেলবরো (ইংল্যান্ড), নীতিন মেনন (ভারত), এহসান রাজা (পাকিস্তান), পল রাইফেল (অস্ট্রেলিয়া), শরফুদ্দৌলা ইবনে সৈকত (বাংলাদেশ), রড টাকার (অস্ট্রেলিয়া), জোয়েল উইলসন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।

আইসিসি এলিট প্যানেল ম্যাচ রেফারি:
ডেভিড বুন (অস্ট্রেলিয়া), জেফ ক্রো (নিউজিল্যান্ড), রঞ্জন মাদুগালে (শ্রীলঙ্কা), অ্যান্ড্রু পাইক্রফট (জিম্বাবুয়ে), রিচি রিচার্ডসন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), জাভাগাল শ্রীনাথ (ভারত)।