মোহামেডানকে বিদায় করে সেরা আটে শেখ জামাল

7

কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে মোহামেডানের প্রয়োজন ছিল জয়, আর শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের ড্র। দুই দলের লড়াই শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। তাই ফেডারেশন কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে টুর্নামেন্টের অন্যতম সফল দল মোহামেডান, আর শেষ আট নিশ্চিত করেছে শেখ জামাল।

‘ডি’ গ্রুপের খেলা শেষে বসুন্ধরা কিংস ও শেখ জামালের সংগ্রহ ৫ পয়েন্ট করে। তবে গোল গড়ে এগিয়ে থাকায় বসুন্ধরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। মোহামেডান ৪ এবং নোফেল স্পোর্টিং ক্লাব ১ পয়েন্ট নিয়ে টুর্নামেন্টে এখন শুধুই ‘দর্শক’।

৮ নভেম্বর প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ঢাকা আবাহনী খেলবে আরামবাগের বিপক্ষে। পরদিন শেখ জামালের প্রতিপক্ষ সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। ১০ নভেম্বর শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লড়াই করবে চট্টগ্রাম আবাহনীর সঙ্গে। তার পরদিন শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে বসুন্ধরা কিংস ও বিজেএমসি।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নবম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো মোহামেডান। কিন্তু গাম্বিয়ান মিডফিল্ডার ল্যান্ডিং ডারবোর ক্রস থেকে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এনকোচা কিংসলের হেড শেখ জামালের গোলকিপার মোহাম্মদ নাইমের হাতে লেগে চলে যায় বাইরে।

বিপরীতে ২১ ও ৩০ মিনিটে দুটো সুযোগ নষ্ট করেছে শেখ জামাল। প্রথম সুযোগটি তৈরি হয়েছিল দুই গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ডের কম্বিনেশনে। সলোমন কিংয়ের লব থেকে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় সেইনি বোজাংয়ের হেড। পরেরবার সলোমন নিজেই অফসাইড ট্র্যাপ ভেঙে বেরিয়ে গেলেও মোহামেডানের গোলকিপার সারওয়ার জাহানকে পরাস্ত করতে পারেননি।

৩৪ মিনিটে এগিয়ে যায় মোহামেডান। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া ডারবোর ফ্রি-কিক ঠেকাতে পারেননি নাইম।

তিন মিনিট পরই সমতা ফেরাতে পারতো শেখ জামাল। কিন্তু গোলকিপার সারওয়ারের দৃঢ়তায় বেঁচে যায় মোহামেডান। প্রথমে বোজাংয়ের হেড ফিরিয়ে দেন সারওয়ার। ফিরতি বলে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লুসিয়ানো ইমানুয়েলের শটও রুখে দেন তিনি।

বিরতির পর গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে শেখ জামাল। ৪৮ মিনিটে সফলও হয় তারা। সলোমনের লব মোহামেডানের এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বক্সের ভেতরে থাকা ইমানুয়েলের শট জড়িয়ে যায় জালে।

এরপর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও পেয়েছিল শেখ জামাল। কিন্তু ইমানুয়েল আর সলোমনের দুটো প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তাতে অবশ্য ধানমন্ডির ক্লাবটির সমস্যা হয়নি। ড্র করে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আনন্দে মেতে উঠেছে তারা। আর ২০১৬ সালের পর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের লজ্জায় পড়তে হয়েছে মোহামেডানকে।