ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া-ভারতকে পেছনে ফেলে পেস বোলিংয়ে সেরা টাইগার ব্যাটসম্যানরা

297

ক্রিকেটের তিনটি ফর্ম্যাটের মধ্যে সবচেয়ে বিলাসবহুল ফর্ম্যাট হিসেবে টেস্টকেই অনেকে চিহ্নিত করেন। কারণ, বাকি দুইটি ফর্ম্যাট টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়া দল প্রচুর হলেও টেস্ট স্ট্যাটাস এখন পর্যন্ত পেয়েছে মাত্র ১২ টি দল। আর তাই এরকম ফর্ম্যাটে যে কোনো দিক থেকেই সেরা অবস্থানে থাকাটা সত্যিই বিরাট ব্যাপার।

পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান ভারত উপমহাদেশে। আর এই অঞ্চলের আবহাওয়াজনিত কারণে এখানে স্পিন বল সবচেয়ে উপর্যুক্ত। আর তাই এমন একটি পরিস্থিতিতে ফাস্ট বলের বিরুদ্ধে ভালো কিছু করাটা সত্যিই বেশ কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। আমাদের বাইরে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ও কন্ডিশনে পেস বল ভালো হয়। এ কারণে এই দেশগুলো পেসের বিরুদ্ধে বেশ সক্রিয়।

তবে এরকম পরিস্থিতি হওয়া সত্বেও টেস্টে পেসের বিপক্ষে সারা বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ দখলে নিয়েছে প্রথম স্থান। যদিও কিনা বাংলাদেশ টেস্ট র‍্যাংকিং- এ অষ্টম।

এই তালিকায় ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের সাথে সিমিং কন্ডিশনে ভাল খেলা অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশকে টপকে শীর্ষস্থান দগল করেছে সাকিব-তামিম-মুশফিকের বাংলাদেশ। ২০১৬ সাল থেকে ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা গড়ে ২০ এর বেশি রান আদায় করে নিয়েছে, যা বাকি দল গুলো থেকে বাংলাদেশকে আলাদা করছে।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের অভিজ্ঞতাই ফাস্ট বোলিংয়ের বিপক্ষে সাফল্য এনে দিচ্ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের সিনিয়র ব্যাটসম্যানরা দীর্ঘদিন ধরে খেলে আসায় পেস বোলিং এর বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যের হার বেশি।

টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর পেস বোলারদের বিপক্ষে রানের তালিকা।

এই তালিকায় বাংলাদেশের পরেই অবস্থান শ্রীলঙ্কার। ১৫ ছাড়ানো গড়ে পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে রান করেছে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। ১৫ গড়ের উপরে আছে ইংল্যান্ড, দক্ষিন আফ্রিকা ও ভারতের ব্যাটসম্যানরাও।

কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও তালিকায় ষষ্ট অবস্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া। তার পরেই আছে জিম্বাবুয়ে ও নিউজিল্যান্ড দল। এই তালিকায় সবার নীচে অবস্থান উপমহাদেশের দল পাকিস্তানের। পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে পাক ব্যাটসম্যানদের গড় ১৩ এর কাছাকাছি।