রুটের ডাবল শতক; দিন শেষে স্বস্তিতে ইংল্যান্ড

স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী টেস্টে অধিনায়ক জো রুটের ডাবল সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে লিড পায় ইংল্যান্ড। জবাবে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতে বিপাকে পরলেও পরবর্তীতে উইলিয়ামসন- টেইলরের দৃঢ়তায় চতুর্থ দিন শেষ হয়।

তৃতীয় দিন ১১৪ রানে অপরাজিত থেকে চতুর্থ দিনে ৪১২ বলে ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট। ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে ১০১ রানের লিড এনে দেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। তার সাথে ওলি পোপ হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ১৬৫ বলে।

পরবর্তীতে পোপ আউট হন ৭৫ রানের ইনিংস খেলে। পোপের বিদায়ের পরপরই সাজঘরের পথ ধরেন ৪৪১ বলে ২২৬ রানের ইনিংস খেলা ইংলিশ অধিনায়ক। তাঁদের দুইজনের ১৯৩ রানের জুটিতে লিড পায় ইংল্যান্ড। শেষের দিকের ব্যাটসম্যানদের আর দাঁড়াতে দেননি কিউই পেসার নেইল ওয়েগনার। একাই পাঁচ উইকেট তুলে নেন তিনি।

১০১ রানের পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার জিত রাভালকে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরান স্যাম কারান। এর আগের ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো ওপেনার টম লাথামকে ১৮ রানে আউট করে ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি এনে দেন ক্রিস ওকস।

দুই উইকেটের পতনে পিছিয়ে পড়া নিউজিল্যান্ডের হাল ধরেন উইলিয়ামসন এবং টেইলর। তাঁদের দুইজনের ৬৮ রানের জুটি চতুর্থ দিনে আর কোনো উইকেট হারাতে হয়নি নিউজিল্যান্ডকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ (চতুর্থ দিন শেষে)

নিউজিল্যান্ড (প্রথম ইনিংস):৩৭৫/১০(১২৯.১)
লাথাম ১০৫, মিচেল ৭৩
ব্রড ৪/৭৩, ওকস ৩/৮৩

ইংল্যান্ড (প্রথম ইনিংস): ৪৭৬/১০ (১৬২.৫)
রুট ২২৬, বার্নস ১০১
ওয়েগনার ৫/১২৪, সাউদি ২/৯০

নিউজিল্যান্ড (দ্বিতীয় ইনিংস):৯৬/২ (৩৪)
উইলিয়ামসন ৩৭*, টেলর ৩১*
ওকস ১/৮, কারান ১/২৬