ওয়ার্নারের ট্রিপল সেঞ্চুরিতে রেকর্ডের ফুলঝুরি

গোলাপী বলে নিজেকে ছাড়িয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরিতে আরো বেশ কিছু রেকর্ডকে পেছনে ফেলেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। অ্যাডিলেডের গ্যালারিতে মাতিয়ে ছাড়িয়ে গেছেন ব্র্যাডমানকেও।

ব্র্যাডম্যানকে কোথায় পেছনে ফেললেন ওয়ার্নার? অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ওভালে স্যার ডন ব্র্যাডম্যান এর আগে সর্বোচ্চ ২৯৯* রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এটাই এই মাঠে কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ রান। ১৯৩২ সালে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ব্র্যাডম্যান এই রান হাঁকিয়েছিলেন। সেই কীর্তি এদিন টপকে গেলেন ওয়ার্নার।

এদিন ওয়ার্নার ৩০০ রান ছুঁতেই গ্যালারি হাততালিতে ফেটে পরে। সেই সঙ্গে এদিন মাথা নিচু করে স্পেশাল সেলিব্রেশনে ব্র্যাডম্যানকে শ্রদ্ধা জানান তিনি। ৫১৯ মিনিট ক্রিজে থেকে ৩৮৯ বল খেলে ৩৭টি চার হাঁকিয়ে ওয়ার্নার ৩০০ রানে পৌঁছান।

এদিন টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ দ্রুততম হিসেবে ওয়ার্নার ত্রিশতরান হাঁকান। এর আগে ভারতের বীরেন্দ্র শেবাগ ২৭৮ বলে তিনশো করেছেন। ম্যাথু হেডেন ৩৬২ বলে ও শেবাগ ৩৬৪ বলে তিনশো করেন। এদিন ৩৮৯ বল খেলে তিনশো রানে পৌঁছান ওয়ার্নার।

ডন ব্র্যাডম্যানের আরও একটি রেকর্ড ভাঙেন ওয়ার্নার। টেস্টে অজি কিংবদন্তি ডন ব্র্যাডম্যান সর্বোচ্চ ৩৩৪ রান হাঁকিয়েছিলেন। এদিন সেই কীর্তিও টপকে গেলেন ওয়ার্নার। অস্ট্রেলিয়ার আরেক ক্রিকেটার মার্ক টেলরও টেস্টে সর্বোচ্চ ৩৩৪ রান হাঁকিয়েছিলেন। তাকেও এদিন টপকে গেলেন ওয়ার্নার। অপরাজিত ৩৩৫ অজিদের হয়ে টেস্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক হলেন ওয়ার্নার। এদিন ব্র্যাডম্যান ও মার্ক টেলরের ৩৩৪ রান টপকে গিয়ে এই কীর্তি করলেন। অজিদের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ৩৮০ রান হাঁকানোর কীর্তি রয়েছে ম্যাথু হেডেনের।

শেষ পর্যন্ত ৪১৮ বলে ৩৯টি চার ও একটি ছয় মারেন ওয়ার্নার। অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে ট্রিপল সেঞ্চুরি করলেন ওয়ার্নার। অজিদের হয়ে সবশেষ তিনশো রান করেছিলেন মাইকেল ক্লার্ক, ২০১২ সালে।

তিনি যখন ব্রায়ান লারার চারশো রানের দিকে এগোচ্ছিলেন তখনই ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। ৩ উইকেটে ৫৮৯ রানের সময় মাঠ থেকে দুই ব্যাটসম্যানকে ডেকে নেন অধিনায়ক টিম পেইন।