যা যা করলে সিরিজ জিততে পারে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ডের লর্ডসের আদলে তৈরি ভারতের গুজরাট প্রদেশের রাজকোট শহরে অবস্থিত সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট এসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আজ এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে টিম টাইগার্স!

ভারতের বিপক্ষে টি২০ জেতার অন্যতম উপায় হলো রোহিত শরমাকে শুরুতে আউট করা। টি২০তে ভারতের সবচেয়ে বিধ্বংসী ও ধারাবাহিক ব্যাটসম্যান রোহিতই। কোহলি না থাকায় এই দলটির অধিনায়ক ও ব্যাটিং স্তম্ভ তিনি।

প্রথম ম্যাচে রোহিতকে দ্রুত ফিরানোয় বড় রান করতে পারেনি ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচে রোহিতকে দ্রুত ফিরাতে পারলেই ভারত বড় রান টার্গেট দিতে পারবেনা এবং চেজও করতে পারবেনা।

এছাড়া বুমরাহ না থাকায় ডেথে এখন আর ভয়ংকর নয় ভারত। তবে চিরাচরিতভাবে মাঝের ওভারগুলোতে প্রতিপক্ষর রান তুলাকে চেপে ধরে ভারত। তাই ভারতের বিপক্ষে জয়ের আরেকটা অন্যতম উপায় হলো মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট ধরে যথাসম্ভব রান তুলা। সেক্ষেত্রে ক্রুণাল পাণ্ডিয়া ও যুজভেন্দ্র চাহালকে দক্ষতার সহিত মোকাবিলা করতে বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানকে।

ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা তাদের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রচুর লম্বা লম্বা ইনিংস খেলেই তবে জাতীয় দলে আসে। তাই একবার চান্স পেলে একা হাতে বড় ইনিংস খেলে খেলা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিবে তারা, সেজন্য ফিল্ডিংয়ে কোনোভাবে লুজ হওয়া যাবেনা। গতম্যাচের মতো দুর্দান্ত এফোর্ট দিতে হবে সবাইকে।

এছাড়া নিজেদের স্বাভাবিক খেলা তো খেলতে হবেই সকলকে।

তাহলে ভারতের বিপক্ষে জিততে হলে যা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে –
১/রোহিতকে যত দ্রুত সম্ভব আউট করা
২/মাঝের স্পিন ওভারগুলোতে উইকেট না দিয়ে যথাসম্ভব রান তুলা।
৩/ফিল্ডিং ভালো করা

এই তিন কাজ ঠিকঠাক করলেই হয়ত প্রথমবারের মতো ভারতের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয় করতে পারবে বাংলাদেশ।

ভারত দলে সম্ভবত দুটি পরিবর্তন আসবে-

১/উইকেটরক্ষক সঞ্জু স্যামসন ফিরবে। সেক্ষেত্রে বাদ পড়বে লুকেশ রাহুল/রিশাভ পান্তকে।

২/পেসার শারদুল ঠাকুর ফিরবে। সেক্ষেত্রে বাদ পড়বে বাঁহাতি পেসার খলিল আহমেদ।

বাংলাদেশ দলে একাদশ পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অপরিবর্তিত উইনিং কম্বিনেশনই মাঠে নামতে পারে।