৩-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও চেলসির রোমাঞ্চকর ড্র

অসাধারন এক ম্যাচের সাক্ষী হয়েছে স্টামফোর্ড ব্রিজ। ঘরের মাঠে আয়াক্সের বিপক্ষে ৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে চেলসি।

মঙ্গলবার রাতে স্টামফোর্ড ব্রিজে শুরু থেকেই গতিশীল এবং দুর্দান্ত দেখায় আয়াক্সকে। খেলার মাত্র দুই মিনিটের মাথায় টমি আব্রাহামের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় আয়াক্স।

৫ম মিনিটেই পেনাল্টি পায় চেলসি। স্পটকিকে আয়াক্স গোলকিপার আন্দ্রে ওয়ানাকে বোকা বানিয়ে গোল করেন জর্জিনহো।

চেলসি গোল শোধ করলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ পাঁচটি অ্যাওয়ে ম্যাচ জেতা আয়াক্সকে আরও ভয়ংকর দেখায়। ২০ মিনিটে দ্বিতীয়বার এগিয়ে যায় তারা। এসময় দারুণ এক গোলে অতিথিদের লিড এনে দেন মরোক্কান ফরোয়ার্ড হাকিম জায়েখ।

এরপর ৩৫ মিনিটে আরও একটি ফ্রি-কিক পায় আয়াক্স। সেখান থেকে তৃতীয়বারের মতো এগিয়ে যায় তারা। জিয়াখের নেয়া শট প্রতিহত করতে ব্যর্থ হন চেলসি গোলকিপার কেপা, বল তার মুখে লেগে জড়িয়ে যায় জালে।

৩-১ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় চেলসি। ফিরে এসে গতি বাড়ানোর দিকে নজর দেয় তারা। কিন্তু ৫৫ মিনিটে ঘটে বিপত্তি। জিয়াখের ক্রস থেকে স্কোরলাইন ৪-১ করে ফেলেন ডনি ভ্যান ডি বিক।

৬৩ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর থেকে গোল করে ব্যবধান কমান অ্যাজপিলিকুয়েটা। এর খানিক পরই দ্বিতীয় হলুদকার্ড দেখে লালকার্ড পান আয়াক্সের ডেলি ব্লিন্ড। ব্লিন্ড ইস্যুতে রেফারির সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে লালকার্ড দেখেন জোয়েল ভেল্টম্যানও।

আয়াক্স নয় জনের দলে পরিণত হওয়ার পরপরই সুযোগ কাজে লাগায় চেলসি। ৭১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোল করেন জর্জিনহো। তার এই গোলও অবশ্য পেনাল্টি থেকে।

দুই মিনিট পর আয়াক্সের জালে আরও একবার বল জড়ান অ্যাজপিলিকুয়েটা। কিন্তু হ্যান্ডবলের কারণে সে গোল বাতিল করেন রেফারি। তবে ৭৪ মিনিটে সমতায় ফেরে চেলসি। ব্লুজদের সমতায় ফেরান রিস জেমস। শেষ ১৫ মিনিটে জয়ের জন্য সব রকম চেষ্টা চালায় স্বাগতিকরা। তবে নয়জন নিয়েও শেষ পর্যন্ত ড্র করে ফেরে আয়াক্স।

চেলসির ড্র’র রাতে লিলেকে ৪-১ গোলে হারায় ভ্যালেন্সিয়া। এর ফলে গ্রুপ ‘এইচ’র তিন দলের পয়েন্ট হয়েছে সমান। চার ম্যাচ শেষে আয়াক্স, চেলসি ও ভ্যালেন্সিয়ার পয়েন্ট সমান ৭। গোল ব্যবধানে শীর্ষে আয়াক্স। দুইনম্বরে চেলসি, আর তিনে ভ্যালেন্সিয়া। লিলের পকেটে অবশ্য মাত্র এক পয়েন্ট।