গোলাপি বলে অনুশীলন করে রোমাঞ্চিত ইমরুল কায়েস

চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে (২২-২৬ নভেম্বর) ইডেন গার্ডেনসে ভারতের বিপক্ষে গোলাপি বলে দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচে অভিষেক হচ্ছে বাংলাদেশের। বিষয়টি বাংলাদেশ দলের জন্য যেমন ভারতের জন্যও অনুরূপ। সাদা পোষাকে ১৯ বছরেরও কিছু বেশি সময়ের পথ চলায় বাংলাদেশ যেমন গোলাপি বলে খেলেনি, তেমনি ৮৭ বছরের সাদা পোষাকের অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন ভারতও খেলেনি। সবকিছু ঠিক থাকলে এই ম্যাচটি দিয়েই দিবা-রাত্রির টেস্ট যাত্রা শুরু হবে উপমাদেশের এই দুই দলের।

ঐতিহাসিক এই ম্যাচটিকে সামনে রেখে দুই দলের কেউই এখনো লাল বলের প্রস্তুতি শুরু করতে পারেনি। তার পেছনে অবশ্য কারণও আছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের ব্যস্ততায় দু’দলের কারোরই সেই সুযোগ হয়ে উঠছে না মোটেই। তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি শেষে ইন্দোরে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। প্রথম টেস্ট ম্যাচটি যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে লাল বলেই। সেই ম্যাচ শেষে দিন কয়েকের যে বিরতি থাকবে সেই বিরতিতেই গোলাপি বলের প্রস্তুতি সারবে দুই দল।

তবে বাংলাদেশের টেস্ট দলে ডাক পাওয়া ইমরুল কায়েস অবশ্য সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করেননি। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) জাতীয় লিগের চতুর্থ রাউন্ডের খেলা শেষ হতেই শের-ই-বাংলার সেন্টার উইকেটে নেমে গেলেন গোলাপি বলের অনুশীলনে। প্রায় ঘণ্টা ব্যাপী করা সেই অনুশীলনে সেখানে একটি বিষয়ই তিনি বেশ জোরালোভাবে অনুধাবন করেছেন, সেটা হলো- গোলাপি বলের সুইং লাল বলের চাইতেও বেশি। এবং এর শাইনিং দ্রুতই নষ্ট হয়ে যায়।

গোলাপি বল সুইংটা একটু বেশি করে আমার কাছে মনে হলো। যেহেতু আমি প্রথমবার অনুশীলন করলাম হয়তোবা আরেকটু ভালো করে বুঝতে পারবো আসলে কি হয়। মিরপুরের উইকেট একটু কঠিন ছিল কিন্তু আমার কাছে মনে হয় পিংক বলে সুইংটা বেশি করে। লাল বল ও গোলাপি বলের সিম একই রকম হয়। তবে বলের যে পিচ আপটা হয় লাল বলে শাইনটা নষ্ট হতে একটু সময় লাগে। কিন্তু পিংক বলে আমি যতটুক খেললাম আমার কাছে মনে হয়েছে যে শাইনিংটা দ্রুত কমে। তবে যতক্ষণ থাকবে সুইংটা একটু বেশি করবে।

গোলাপি বলে ম্যাচ খেলার আগে পর্যাপ্ত অনুশীলন দরকার ছিল কিনা সংবাদ কর্মীদের করা এমন প্রশ্নে ইমরুলের উত্তর ছিল- খেললেতো অবশ্যই ভালো হত। কারণ আমরা অভ্যস্ত না, ওখানেই প্রথমবার। ভারতও কখনো খেলেনাই, আমরাও খেলিনাই। দুইটা দলের জন্যই অভিজ্ঞতা হবে বলা যায়। গোলাপি বলের খেলা নিয়ে আমি খুব রোমাঞ্চিত।