টানা দ্বিতীয়বারের মতো দেশ সেরা করদাতা সাকিব

টানা দ্বিতীয়বারের মতো আয়কর রিটার্ন প্রদানে সেরা করদাতা নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) খেলোয়াড় ক্যাটাগরিতে ২০১৮-১৯ করবর্ষে দেশের সেরা করদাতা নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পোস্টার বয়।

এর আগে ২০১৭-১৮ করবর্ষের জন্যও সাকিব খেলোয়াড় ক্যাটাগরিতে সেরা করদাতা নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার সঙ্গে আরও দুজন তারকা ক্রিকেটার ছিলেন—ওপেনার তামিম ইকবাল ও ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

জাতীয় ট্যাক্সকার্ড নীতিমালা, ২০১০ (সংশোধিত) অনুযায়ী সাংবাদিকসহ সেরা করদাতা মোট ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামের তালিকা উল্লেখ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে।

এছাড়া বিভিন্ন জেলা ও সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচিত করা হয়েছে আরও ৫২১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে। এ সব নামের তালিকা করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বুধবার (৩০ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় আবার খতিয়ে দেখার পর তালিকা থেকে কারও নাম বাদ দেওয়া হতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে এসব নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

প্রজ্ঞাপন জারির পর সর্বোচ্চ ও দীর্ঘ সময় ধরে কর প্রদান করায় জাতীয়ভাবে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করা হবে এবং ট্যাক্স কার্ড ও ক্রেস্ট প্রদান করা হবে। কার্ডপ্রাপ্তরা বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রীয় সুবিধা পাবেন। তারা বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাবেন। সড়ক, বিমান, নদীপথে ভ্রমণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকিট পাবেন।

এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন কার্ডপ্রাপ্তরা। এমনকি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তার পরিবার চিকিৎসাসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে হাসপাতালে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শয্যা সুবিধা পাবেন।

প্রসঙ্গত, জুয়াড়ির কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও কর্তৃপক্ষকে না জানানোয় দুই বছর সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব। আইসিসি মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাকিবের নিষেধাজ্ঞার কথা জানায়। এর মাঝে এক বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞা। আইসিসির সব নিয়ম মেনে চললে এক বছর পরই তিনি খেলায় ফিরতে পারবেন।