কিভাবে জীবন বাজি রেখে খেলতে হয় সেটা মাশরাফির থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত: ইমরান খান

মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক জীবন্ত কিংবদন্তি সৈনিক।ক্যারিয়ারের অনেক চড়াই উতরাই পার হয়ে আজকের মাশরাফি বেশ পরিচিত। ইঞ্জুরি নিয়ে ২২ গজ ছেড়ে গেলেও আবার ইঞ্জুরি জয় করে স্বরুপে ২২ গজে ফিরে হয়ে গেলেন ক্রিকেটের এক সাহসী যোদ্ধা। এমন হার না মানা মানসিকতায় অনেকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মাশরাফি কে। এবার সে তালিকায় যুক্ত হয়েছেন, পাকিস্তানের ৯২ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

১৯৮৩ সালের আজকের এই দিনে নড়াইলের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা। তার বাবার নাম গোলাম মুর্তজা স্বপন। মায়ের নাম হামিদা বেগম। মাশরাফি নামে পরিচিত নড়াইলের সেই দুরন্ত কিশোরটি ছোটবেলা থেকে কৌশিক নামেই এলাকার সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি অদ্ভুত এক ভালোবাসা কাজ করতো। এ জন্য অবশ্য বাবা মায়ের কাছ থেকে শাস্তিও কম পেতে হয়নি তাকে। তবুও ক্রিকেটের প্রতি তার ভালবাসায় তাকে আজ মাশরাফি বানিয়েছে।

২০০১ সালের ৮ নভেম্বর শুরু হওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেকেই নিয়েছিলেন ৪ উইকেট নিয়ে নিজের জানান দিয়েছিলেন। একই বছর ২৩ নভেম্বর ওয়ানডে ক্রিকেটে মাশরাফির অভিষেক হয়। সেই যে শুরু পথচলা, এরপর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৭টি বছর পার করে ফেলেছেন ক্যারিয়ারের।

ইনজুরি তার টেস্ট ক্যারিয়ার দীর্ঘ হতে দেয়নি। মাত্র ৩৬ টেস্ট খেলে নিয়েছেন অবসর৷ এরই মাঝে নিয়েছেন ৭৮টি উইকেট। টি-টুয়েন্টিতে থেকেও অবসর নিয়েছেন তিনি। বণার্ঢ্য ক্যারিয়ারে ইঞ্জুরিকে জয় করে বারবার নিজেকে ফিরিয়ে নিয়েছে ক্রিকেট মাঠে। যা তাকে হাজার নতুনের অনুপ্রেরণা বানিয়ে দেয়

ইমরান খান বলেন, মাশরাফি ক্রিকেটের একজন সাহসী সৈনিক। সে ইঞ্জুরিকে জয় করে মাঠে ফিরে নিজেকে প্রমান করেছে অনেকবার।খেলার জন্য সে জীবন বাজি রেখেছে বহুবার। তার কাছ থেকে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা নেওয়া উচিৎ কিভাবে জীবন বাজি রেখে খেলতে হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here