সুপার লীগে সাইফুদ্দিনের বোলিংতোপে দোলেশ্বরকে ১৬৫ রানে হারালো আবাহনী

ডিপিএলের সুপার লিগে সাইফুদ্দিনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে
প্রাইম দোলেশ্বরকে ১৬৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে মাশরাফির আবাহনী।

আবাহনীর দেওয়া ২৫২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে পেস অলরাউন্ডার সাইফুদ্দিনের বোলিংতোপে দিশেহারা হয়ে যায় দোলেশ্বরের ব্যাটসম্যাসনরা। মাত্র ৫১ রানেই ৭ উইকেট হারায় তারা। পরবর্তীতে মিরাজ-সানজামুলের বোলিংয়ে মাত্র ৮৬ রানেই অলআউট হয় ফরহাদ রেজার দল।

৬ ওভার বোলিং করে ২ মেডেন দিয়ে ৯ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। এছাড়াও সানজামুল নেন ২ উইকেট। মিরাজ-সৌম্য ও নাজমুল নেন ১ টি করে উইকেট। কোন উইকেট পাননি মাশরাফি।

এর আগে প্রাইম দোলেশ্বরের অধিনায়ক ফরহাদ রেজা। অপরদিকে ব্যাটিং করছে মোসাদ্দেকের আবাহনী। সকালে শুরুটা ভালো এনে দিতে পারেনি আবাহনীর ব্যাটসম্যানরা। মাত্র ১ রান করে ফেরেন জহুরুল।

দিনের প্রথম উইকেট নেন ফরহাদ রেজা। জহুরুলকে ক্যাচ আউট করে আউট করেন তিনি। ফরহাদের পরের ওভারেই উইকেট তুলে নেন রাহিও। মিরাজকে ফেরেন তিনি। শুরুর ধাক্কা সামাল দেয়ার চেস্টা করেন দলের আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার।

তবে এদিনেও ব্যর্থ হন তিনি। ১২ বল খেলে ২ রান করে রাহির দ্বিতীয় শিকার হন সৌম্য। প্রথম সারির উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে মুখে পড়েছে দলটি। এ বিপর্যয় কাটিয়ে জাফর ও শান্তর জুটিতে দারুণভাবে ঘুরে দাড়া আবাহনী।

প্রতিপক্ষের বোলারদের উপর চাপে সৃষ্টি করে দুজনেই তুলে নেন অর্ধশতক। ১২ রানে ৩ উইকেট হারা আবাহনীকে ১৪৬ রানের জুটি গড়ে পথ দেখান তারা। দলীয় ১৫৮ রানে জাফর ৭১ রান করে আরাফত সানির বলে ফিরে গেলে হাল ধরেন মিথুন ও শান্ত।

কিন্তু বেশি বড় হয়নি তাদের পার্টনারশিপ। ৩২ রানের জুটির পর ৭০ রান করে বিদায় নেন শান্ত। পরবর্তী মিথুনের ৪১ এবং মাশরাফির ২৪ রানের পরও এক ওভার বাকি থাকতেই ২৫১ রানে অলআউট হয় আবাহনী।

প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে আবু জায়েদ রাহী ৩ এবং ফরহাদ রেজা-সাইফ হাসান ২ টি করে উইকেট নেন।