বিজয়ের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরির কাছে হেরে গেল নাসিরের ঝলমলে ইনিংস

photo: Collected

জোড়া সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ গড়ে ম্যাচ অনেকটাই নিজেদের আয়ত্ত্বে নিয়ে নিয়েছিল প্রাইম ব্যাংক। শেখ জামাল ব্যাটিংয়ে নামার পর বৃষ্টি বাধা। পরে জামালকে নতুন লক্ষ্য বেঁধে দেয়া হয়। সেটাও ধরতে পারেনি তারা। ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ম্যাচটি ২৯ রানে জিতেছে প্রাইম ব্যাংক।

সাভার বিকএসপিতে ইনিংসের শুরুতে এনামুল হক বিজয় এবং অভিমান্যু ঈশ্বরের সেঞ্চুরি ও শেষে আরিফুল হকের টর্নেডো ইনিংসে ৩৪৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। মৌসুমের প্রথম জয় পেতে শেখ জামালকে করতে হবে ৩৪৫ রান।

আগের লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর আজ চতুর্থ রাউন্ডে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বিপক্ষেও তিন অঙ্কের দেখা পেয়েছেন ২৬ বছর বয়সী বিজয়। বিজয় খেলেছেন ১০১ রানের দারুণ ইনিংস।

লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি তুলে নেন এনামুল বিজয়। ১১৮ বলে ৮ চারের মারে নিজের সেঞ্চুরি করেন বিজয়।

এছাড়া প্রাইম ব্যাংকের ভারতীয় রিক্রুট অভিমান্যুর ব্যাট থেকে আসে ১২৬ বলে ১৩৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস।

আর শেষদিকে প্রাইম ব্যাংক ইনিংসে ঝড় তোলেন ঘরোয়া ক্রিকেটের মারকুটে অলরাউন্ডার আরিফুল হক। ৪৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অভিমান্যু ফিরে যাওয়ার পর শেষে ৩৪ বলে ৮৫ রান করে প্রাইম ব্যাংক। যার সিংহভাগই আসে আরিফুলের ব্যাট থেকে।

মাত্র ২২ বলে ফিফটি করেন আরিফুল। শেষপর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৩২ বলে ৬৭ রানের ইনিংস খেলে। ৪টি চারের সঙ্গে ৩টি বিশাল ছক্কা হাঁকান তিনি। এছাড়া ৭ বলে ১৬ রানের ইনিংস খেলেন অলক কাপালি। প্রাইম ব্যাংকের ইনিংস থামে ৬ উইকেটে ৩৪৪ রানে।

জবাব দিতে নামা শেখ জামালের ইনিংস চলার সময় বৃষ্টির বাধা আসলে ৩৭.১ ওভারে তাদের লক্ষ্য দেয়া হয় ২৩৬ রানের। জামাল ৪ উইকেটে ২০৬ রানে থেমেছে।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করে নাসির হোসেন। নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত থাকেন ৫৪ রানে। এছাড়া ২৬ রান করেন ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন।

প্রাইম ব্যাংকের নাহিদুল ইসলাম ৫১ রান খরচায় নেন ২টি উইকেট।