পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেই অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরছেন স্মিথ-ওয়ার্নার

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ও সহ অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের এক বছরের শাস্তি শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ২৯ মার্চ। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে সেদিনই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাঠে নামতে পারেন এই দুই অজি তারকা ক্রিকেটার। কিন্তু তাদের সামনে প্রধান বাধা ফিটনেস।

মার্চের ২২ তারিখ থেকে শুরু করে ৩১ তারিখ পর্যন্ত আরব আমিরাতের মাটিতে পাঁচটি ওয়ানডে খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথম তিন ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২২, ২৪ ও ২৭ মার্চ। নিষেধাজ্ঞা শেষ না হওয়ায় এই তিন ম্যাচে খেলতে পারবেন না স্মিথ ও ওয়ার্নার। তবে ২৯ মার্চ মাঠে নামার সম্পূর্ন অনুমতি দিয়ে রেখেছে।

কিন্তু তাদের মাঠে নামার সামনে প্রধান বাধা হয়ে আছে তাদের সম্পূর্ণ ফিটনেস। স্মিথ ও ওয়ার্নার দুজনেই আছেন ইনজুরিতে। সদ্য শেষ হওয়া বিপিএলে খেলতে এসে ইনজুরি নিয়ে ফিরে যান দুজনই। দুজনই কনুইয়ের সমস্যায় ভুগছেন। ২৯ মার্চের আগেই ওয়ার্নারের সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও শঙ্কা রয়েছে স্মিথকে নিয়ে।

স্মিথের ক্ষেত্রে সময় লাগতে পারে আরও কিছু দিন। তার কনুইয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। এখনো তার হাতে ব্যান্ডেজ রয়েছে। তা খোলা হবে চলতি মাসের শেষের দিকে। আর পূর্ণ ফিট হতে লেগে যাবে আরও সাড়ে তিন সপ্তাহ।

অস্ট্রেলিয়ার কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার এক প্রকার ঘোষণা দিয়েই রেখেছেন দুজনকেই দলে চান তিনি, তবে যদি তারা ফিট থাকেন। কারণ বিশ্বকাপের আগে পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলেই তাদের অনুশীলনে থাকতে হবে। আর সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে এই দুজনকে খেলানোর পক্ষে ল্যাঙ্গার।

ল্যাঙ্গার বলেন, ‘আসলে দেখার বিষয় নিষেধাজ্ঞা শেষ করে তারা দুজন কতগুলো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারে। তবে আমি নিশ্চিত তারা দলে সুযোগ পাবে। আমরা তাদের পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ দিতে পারব। তাদের খেলা থেকে কেউ আর বিরত রাখতে পারবে না। দলে তারা আসবেনই। আমরা তাদের মতো দুজন বড় মাপের খেলোয়াড় নিয়ে কথা বলছি। তারা কেবল দুজন ভালো খেলোয়াড়ই নয়, বড় মাপের খেলোয়াড় এবং সেটা পরীক্ষিত। তাদের বিশ্বকাপের দলে না রাখাটা আমার মনে হয় পাগলামি হবে।’

‘তবে প্রথমে আমাদের দেখতে হবে যে তাদের ইনজুরির সমস্যার কী অবস্থা। আশা করছি দলে ফেরার পর তারা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। তাদের ইনজুরির অবস্থা দেখে ম্যানেজমেন্ট সিদ্ধান্ত নিবে। এখন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে শেষ পর্যন্ত কী হয় সেটা দেখতে।’

বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও একাধিক ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। তবে তা সবগুলো অনুশীলন ম্যাচ।