হটাৎই হাসপাতালে ছুটে গেলেন মাহমুদুল্লাহ

গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জাতীয় দলের ম্যানেজার এবং বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। রোববার রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হতে থাকে।

এক পর্যায়ে তাকে আইসিইউতে নিয়ে গিয়ে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। তবে সকালের দিকে অবস্থার উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয় এবং এমআরআই করানো হয়। এমআরআই রিপোর্ট ভালো আসার খবরে সবাই কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করে। তবুও উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে তাকে সিঙ্গাপুর পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।

খবর শুনেই অসুস্থ খালেদ মাহমুদ সুজনকে দেখতে আজ বিকেলে ইউনাইটেড হাপসাপাতালে ছুটে আসেন জাতীয় দলের

ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মিরপুরে জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্প শেষ করেই তিনি হাসপাতালে ছুটে আসেন।

সুজনকে দেখতে এসে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আজকের এই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ হয়ে গড়ে ওঠার পেছনে যে মানুষটির সবচেয়ে বেশি অবদান তিনি আমাদের সুজন ভাই। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তাকেই আমি সবচেয়ে কাছে পেয়েছি। তার বুদ্ধি, পরামর্শ, অনুপ্রেরণায় শুধু আমি নই জাতীয় দলের অনেক ক্রিকেটার গড়ে উঠেছেন। সারাজীবন এ কারণে ওনার কাছে কৃতজ্ঞ আমরা।’

রিয়াদের বিশ্বাস হচ্ছে না, সুজন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে। তিনি বলেন, ‘সুজন ভাই অসুস্থ হবেন, তার এই অবস্থা হবে এটা আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না। গতকাল রাতেই তার অসুস্থতার খবর পেয়েছিলাম; কিন্তু বিষয়টা যে এতটা গুরুতর তা বুঝতে পারিনি। আজ মিরপুরে অনুশীলনে আসার পরই বুঝতে পারলাম তিনি কতটা অসুস্থ। এ কারণেই এখানে ছুটে এলাম।’

খালেদ মাহমুদ সুজন কেমন মানুষ সে স্বীকৃতিও পাওয়া গেলো রিয়াদের কথায়। তিনি বলেন, ‘শুধু একজন ক্রিকেটার হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবে বলছি, সুজন ভাইয়ের মত ভালো মানুষ আর হতে পারে না। সদা পরোপকারী একজন ব্যক্তি। সত্যি কথা বলতে কী তাকে এমন দেখতে চাইনি। আমি মনে-প্রাণে আল্লাহর কাছে চাই, তাকে যেন আল্লাহ সুস্থ করে দেন। দেশবাসির কাছেও দোয়া চাইছি, তারা যেন সুজন ভাইয়ের সুস্থতার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।