মুশফিক বাবু – বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক অনন্য পেসার অল-রাউন্ডার

২০০০-২০০৪ পর্যন্ত জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত মুখ ছিলেন পেসার মুশফিকুর রহিম বাবু। পরাজিত দলের মধ্যে থেকেও ম্যাচ সেরা হওয়া যায়, এটাও প্রমাণ করেছিলেন কয়েকদফা। বাংলাদেশের হয়ে সবমিলিয়ে ২৮ ওয়ানডে আর ১০ টেস্ট খেলেছেন। কালেভদ্রে মেলে তার খোঁজ। ক্রিকেটের সঙ্গে থেকেও নেই তিনি, কাজ করছেন বিমান বাংলাদেশের হয়ে।

কক্সবাজারে সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে চলমান মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভালে মিলল তার দেখা। সেখানে খেলছেন চিটাগং মাস্টার্সের হয়ে। ইনজুরির কারণে ক্রিকেটকে বিদায় বলা বাবু সুযোগ পেলেই এগিয়ে আসেন ক্রিকেটের জন্য। এমনকি সম্প্রতি বাংলাদেশ

ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) নর্থজোনের ম্যানেজার হিসেবেও কাজ করেছেন। ক্রিকেটে ফেরার জন্য কোচিংয়ের লেভেল-২ প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। কিন্তু চাকরির কারণে চাইলেও তাই থাকা হয় না ক্রিকেটের সঙ্গে।

এ প্রসঙ্গে শীর্ষ এক দৈনিকে বললেন, ‘ক্রিকেট থেকে অনেক কিছু পেয়েছি। কিন্তু আমাকে চাকরি করতে হয়। বাংলাদেশ বিমানের মতো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে ছুটি নিয়ে ক্রিকেটের জন্য কাজ করা খুবই কঠিন। তবে ধীরে ধীরে ফের মাঠের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছি। বিসিএলে একটি দলের ম্যানেজার ছিলাম। চেষ্টা করছি সুযোগ বের করার।’

সাবেকদের অনেকের আক্ষেপে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে সাহায্য না পাওয়ার কথা শোনা যায়। কিন্তু বাবু এদিক থেকে ব্যতিক্রম। তিনি জানিয়েছেন, বোর্ড থেকে সাহায্য করা হলেও ইনজুরির অবস্থাটা বেঁকে বসেছিলো। তাই আর ফেরা হয়নি।

বাবু বলেন, ‘ইনজুরির কারণেই আমাকে ক্রিকেট ছাড়তে হয়েছে। আমার স্পাইনাল ডিস্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। একবার ভালো হয়েছিলাম চিকিৎসা করে। কিন্তু পরের বার ভারতে গিয়ে জানলাম আর অপারেশন সম্ভব নয়। বিসিবিও অনেক সাহায্য করেছিল। কিন্তু কিছু করার ছিল না।’

অবসরের আগ পর্যন্ত টেস্টে ১৩ ও ওয়ানডেতে ১৯ উইকেট নিয়েছেন। ব্যাট হাতে তুলেছেন যথাক্রমে ২৩২ ও ৩৬০।