প্রথম ইনিংসে ভালো না করায় চাকুরী হারাচ্ছেন কোহলি!

শ্রীলঙ্কা সফরে প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংটা ভালো হয়নি ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির। মাত্র ৩ রান করেই সাজঘরে ফিরেছেন। তবে শিখর ধাওয়ান আর চেতেশ্বর পূজারার উদ্ভাসিত সাফল্যে কোহলির ব্যর্থতা ঢাকা পড়ে যায়। কিন্তু চলতি ম্যাচের মধ্যেই ভারত অধিনায়কের জন্য কড়া বার্তা এল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) থেকে।

ভারতের অন্যতম সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমস ডক.কম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জাতীয় দলে খেলার পাশাপাশি একাধিক প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরি করেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। অধিনায়ক কোহলি স্বয়ং ‘তেল এবং গ্যাস কর্পোরেশন লিমিটেড’ (ওএনজিসি) নামে একটি প্রাইভেট কম্পানির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিসিসিআইয়ের রিপোর্টে এই প্রতিষ্ঠানটির নাম বেশি এসেছে। এখন বিসিসিআইয়ের নির্দেশে এই চাকরি ছাড়তে হবে ভারত অধিনায়ককে।

কেবল কোহলিই নন; আজিঙ্কা রাহানে, চেতেশ্বর পূজারা কিংবা ইশান্ত শর্মারাও খেলার পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরে চাকরি করেন। কোহলির তার প্রতিষ্ঠান ওএনজিসির হয়ে বেশ কয়েকটি ঘরোয়া ম্যাচ খেলেছেন। প্রতিষ্ঠানটি নাকি অনেক ক্রিকেটারকেই নাকি চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে। সাবেক বিধ্বংসী ওপেনার বীরেন্দ্র শেবাগ এবং অপর ওপেনার গৌতম গম্ভীরও এই প্রতিষ্ঠানে ‘অনারারি’ পোস্টে আছেন। ওএনজিসি ছাড়াও রেলওয়েজ, এয়ার ইন্ডিয়া, এইচপিসিএল, ইন্ডিয়ান ওয়েল, এফসিআই, বিএসএনএল, ইনকাম ট্যাক্সসহ বিভিন্ন কম্পানিতে চাকরি করেন ভারতের ক্রিকেটাররা।

জানা গেছে, লোধা কমিটির চাপেই সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাবলিক সেক্টরে চাকরি করা প্রায় ১০০ ক্রিকেটারকে চাকরি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। স্বার্থের সংঘাত এড়ানোর জন্য এই পদক্ষেপ নিতে বলেছে সিওএ। তবে শুধু ক্রিকেটার নয়, খেলোয়াড় ছাড়াও বোর্ড কর্মকর্তারাও যাতে স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে না-পড়ে সে বিষয়টিও দেখা হচ্ছে। খেলার বাইরে এমনভাবে চাকরি করার জন্য মাঠের খেলার ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে করছে সিওএ।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ