বিপিএলে প্রতারিত হচ্ছেন “দেশি” ক্রিকেটাররা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) সাথে বরাবরই বিতর্ক জড়িত ছিল। ক্রিকেটারদের পাওয়া টাকা না দেয়া থেকে শুরু করে ম্যাচ ফিক্সিং ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে বরাবরই অভিযোগ দর্শক সমর্থকদের।

এবার নতুন করে নিজেদের পায়ে কুড়াল দিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। পঞ্চম আসরকে সামনে রেখে প্রতি দলে পাঁচ বিদেশি রাখার নিয়ম চালু করছে ক্রিকেট কর্তারা।

বিপিএল কমিটির এই সিদ্ধান্তকে দেশের তরুন ক্রিকেটারদের ক্ষতির মুখে ফেলবে বলে মনে করেন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান কোচ খালেদ মাসুদ পাইলট।
‘একাদশে পাঁচজন বিদেশি মানে সেখানে একজন করে দেশি ক্রিকেটারের খেলার সুযোগ থাকছে না। যদি ৮টি দল ৫ জন করে বিদেশি খেলায় তাহলে ৮ জন দেশি ক্রিকেটারকে বসে থাকতে হচ্ছে। এমনকি কোনো কোনো দল বিদেশি নির্ভর হয়ে দেশি তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের খেলাবে না। তাতে আমাদের ছেলেরা বঞ্চিত হবে সবদিক থেকে।’

মূলত ভারতের আইপিএলের আদলে গড়া বিপিএলে এমন নিয়ম মানতে পারছে না। বিশ্বের কোন ফ্রেঞ্চাইজি লীগেই চার জনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটার নেয়ার সুযোগ নেই। বরং বাকি দেশ গুলো বিদেশি ক্রিকেটারের চেয়ে দেশি ক্রিকেটারদের আলাদা গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
আইপিএলের উদাহরন টেনে খালেদ মাসুদ পাইলট বলেছেন, ‘আইপিএলের দিকে তাকান, তারা কিন্তু তাদের দেশি ক্রিকেটারদের প্রাধান্যটা আগে দেয়। আমাদের এখানে সাকিব, তামিমরা ছাড়া, নিচের দিকের ক্রিকেটাররা সেভাবে টাকাও পায় না।
তারা এখানে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলো এই নিয়মে। এছাড়া খেলতে যারা পারবে না তারা ধীরে ধীরে নিজেদের আত্মবিশ্বাসটা হারাবে। আমি মনে করি ৪ জন বিদেশি খেলাটাই ঠিক ছিল। একজন বাড়িয়ে আমাদের দেশি ক্রিকেটারদের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার রাস্তা করে দেয়া হলো।’

আর্থিক ও ক্রিকেটীর দিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে পাঁচ জন বিদেশি ক্রিকেটার সুযোগ করে দেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশের তরুন ক্রিকেটাররা।

সূত্রঃ মানবজমিন