সাত সন্তানের বাবা হতে চান রোনালদো

নিন্দুকেরা তাকে নিয়ে অনেক তিতা কথাই বলতে পারেন। কিন্তু তার কাছের মানুষদের অভিমত, ক্রিস্তিয়ানো রোনালতো খুবই ভালো একজন মানুষ। হৃদয় ভরা আবেগ-ভালোবাসা। সুন্দরী তরুণীদের প্রতি তার ভালোবাসার প্রমাণ আগেই মিলেছে। ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে সন্তানদের প্রতিও অগাধ ভালোবাসা তার। সন্তানের বাবা হতে খুব ভালোবাসেন। এতোদিন একটিই মাত্র সন্তান ছিল তার। কদিন আগে জমজ সন্তানের বাবা হওয়ায় রিয়াল মাদ্রিদ পর্তুগিজ সুপারস্টারের সন্তান সংখ্যা এখন তিন। শিগগিরই সংখ্যা হতে যাচ্ছে ৪। রোনালদো নিজেই স্বীকার করেছেন, তার ২২ বছর বয়সী বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ অন্তসত্ত্বা। আর কত সন্তান চাই তার? এরপর অন্তত আরও ৩টি। রোনালদোই বললেন, অন্তত ৭ জন সন্তান চাই তার!

সম্প্রতি চীনে সফরে গিয়েছিলেন রোনালদো। সেখানেই নাকি নিজের এই বাসনার কথা ব্যক্ত করেছেন ৩২ বছর বয়সী রোনালদো। কেন, গুণে গুণে ৭ জন কেন? রোনালদো ভক্তদের কাছে কারণটা পরিস্কার। পর্তুগাল জাতীয় দল বা ক্লাব, দু জায়গাতেই রোনালদো খেলেন ৭ নম্বর জার্সি পরে। ৭ নম্বর জার্সির সঙ্গে মিলিয়ে ফূটবলবোদ্ধারা তার নামই দিয়েছে সিআর-সেভেন। ভালোবেসে দেওয়া পোষাকী এই নামটি খুবই পছন্দ রোনালদোর। বলতে পারেন ‘৭’-এর প্রতি অন্য রকম একটা ভালোবাসাই তৈরি হয়ে গেছে তার মনে। ৭-এর প্রতি তার প্রেম এতোটাই প্রবল যে, প্রিয় সন্তানও চান ৭টি!

শুধু সন্তান সংখ্যা বৃদ্ধির প্রতিই নেশা নয়, সন্তানদের যত্ন-আত্তিতেও এতোটুকু কার্পণ্য নেই বিশ্বসেরা ফুটবলারের। ৭ বছর বয়সী বড় ছেলে ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়রকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া, নিয়ে আসার কাজটি প্রায়ই করেন রোনালদো। কদিন আগে দুনিয়ায় আসা জমজ সন্তান মাতেও এবং ইভাকে কোলে নিয়ে বাবা রোনালদোর আরদের দৃশ্যও ইনস্টাগ্রামের সুবাদে সারা দুনিয়ার জানা। তবে যেটা অজানা ছিল, সেটা জানা গেল এবার। শুধু কোলে নেওয়াই নয়, প্রসাব-পায়খানা করলে সন্তানদের কাপড় বদলানোর কাজটাও বেশ পটু হাতেই করেন রোনালদো! প্রায়ই বদলে দেন সন্তানদের ডায়াপার। ঘরের অন্দরমহলের এই কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে রোনালদোর দাবি অবশ্য অন্য রকমই, ‘আমি এই কাজে মোটেও দক্ষ নই। তবে আমি চেষ্টা করি।’

বিশ্বসেরা ফুটবলারের পুরস্কার দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্বসেরা বাবার পুরস্কার দেওয়ার রীতি নেই। থাকলে রোনালদো নিশ্চিতভাবেই সেই পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার হতেন!