আশরাফুলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা কবে কাটবে?

একসময় জাতীয় দলের মূল ভরসা আশরাফুল এখন শুধু মাঠের বাইরের খেলোয়াড়। ফিক্সিং এর পরে আশরাফুল মাঠে ফিরলেও ফিরেননি জাতীয় দলের হয়ে।

তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিদিনই লেখালিখি হচ্ছে শিগগিরই জাতীয় দলে ফিরছেন তিনি। তারপর আবার গত দু’ তিনদিন শেরে বাংলার একাডেমি মাঠ ও ইনডোরে জাতীয় দলের অনুশীলনে আশরাফুলের ছবি দেখা যাচ্ছে।

তাই সবার ধারণা, তাহলে হয়ত আশরাফুল সত্যিই জাতীয় দলে ডাক পাবেন এবং এবার বিপিএলও খেলবেন। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা না
কাটানোতে ঘরোয়া ক্রিকেটে হাজার হাজার রান করলেও এখনই জাতীয় দলে ডাক পাবেন না আশরাফুল। তার ছাড়পত্রেই উল্লেখ আছে, ২০১৮ সালের আগস্টের আগে জাতীয় দলে খেলতে পারবেন না আশরাফুল।

একইভাবে এবার মানে ২০১৭ সালে বিপিএল খেলাতেও আছে পরিষ্কার নিষেধাজ্ঞা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামীবার, মানে ২০১৮ সালের বিপিএল খেলার সুযোগ পাবেন আশরাফুল।

এ ব্যাপারে আশরাফুল দেশের প্রথম সারির একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালকে বলেছেন, ‘আসলে আমাকে আইসিসি যে গাইডলাইন দিয়েছে, সেখানেই পরিষ্কার ব্যাখ্যা আছে আমি কি করতে পারবো, আর কি করতে পারবো না। সবচেয়ে বড় কথা আমি খুব ভাল করেই জানি, আমার পক্ষে ২০১৮ সালের আগস্টের আগে কিছুতেই জাতীয় দলে ফেরা সম্ভব নয়। ঘরের ক্রিকেটে হাজার হাজার রান করলেও না। আর বিপিএল খেলার ওপরও আছে পরিষ্কার নিষেধাজ্ঞা। এবার নয়, আগামী বছর মানে ২০১৮ সালের বিপিএল খেলতে পারবো আমি। ’

তবে আশরাফুল আশাবাদী, নিয়মিত পারফর্ম করতে থাকলে একদিন না একদিন আশা পূরণ হবেই। তিনি বলেন, ‘আশা করছি দীর্ঘ সময় নিবিড় অনুশীলন করতে পারলে আগামী বছর পারফরমেন্স হবে আরও ভাল। আর আগেও বলেছি, এখনই জাতীয় দলে ফেরার কথা ভাবছি না।

আমার বয়স ৩৩ প্লাস। এরচেয়ে চার পাঁচ বছর বেশি বয়সেও ইউনুস খান আর মিসবাউল হকরা খেলেছেন। মাঠ মাতিয়েছেন। সেঞ্চুরিও হাঁকিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি, তারা পারলে আমি কেন পারবো না? সে লক্ষ্যেই এগুচ্ছি। দেখা যাক কি হয়!’