আশরাফুল ‘এক্সট্রা-অর্ডিনারি’ ট্যালেন্ট – হার্শা ভোগলে

বাংলাদেশ ক্রিকেটের উজ্জ্বল নক্ষত্র মোহম্মদ আশরাফু। ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে হারিয়ে না গেলে মোহাম্মদ আশরাফুল হয়ত এখন ক্রিকেটের বড় এক সম্পদ হতে পারতেন। বাংলাদেশ দলের উত্থানের সাথে জড়িয়ে থাকা এই ক্রিকেটার ফিক্সিংয়ের অপরাধে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা পান। এরপর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা হয়নি তার।

৩৫ বছর বয়সী আশরাফুলের ক্যারিয়ার শেষ গগণে। জাতীয় দলে ফিরলেও আহামরি কিছু করার সম্ভাবনা কমই বলা চলে। অথচ নিয়মিত খেলে গেলে এখন বিশ্ব ক্রিকেটের সিনিয়রদের একজন হয়ে থাকতেন। আশরাফুলের এই হারিয়ে যাওয়া আক্ষেপ জাগায় ভারতীয় ধারাভাষ্যকার ও ক্রিকেট বিশ্লেষক হার্শা ভোগলের।

সম্প্রতি জুয়াড়ির ম্যাচ গড়াপেটার প্রস্তাব লুকিয়ে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন উমর আকমল। আশরাফুলের মত উমরকেও অসামান্য প্রতিভাধর মনে করতেন হার্শা। আশরাফুল হার্শার মন ভেঙেছেন ২০১৪ সালে, ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে নিষিদ্ধ হওয়ার পর। এই দফায় তার মন ভেঙেছেন উমর।

সম্প্রতি এক টুইট বার্তায় হার্শা বলেন-
‘আমাদের (ভারতের) পূর্ব ও পশ্চিমে আমি অসামান্য প্রতিভাধর দুই ক্রিকেটারকে দেখেছি। একজন মোহাম্মদ আশরাফুল ও আরেকজন উমর আকমল। তুমি কতদূর যেতে পারছ তা নির্ভর করে তুমি প্রতিভাকে কীভাবে কাজে লাগাচ্ছ সেটার উপর। প্রতিভা নিজ থেকে এগোতে পারে না।’

নিষেধাজ্ঞার আগে আশরাফুল বাংলাদেশের অনেক কীর্তির সাক্ষী ছিলেন। তাকে একসময় দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকাও ভাবা হত। ২০০১ সালে অভিষিক্ত এই ব্যাটসম্যান নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরলেও জাতীয় দলে আর সুযোগ পাননি।

অন্যদিকে উমর জুয়াড়ির ম্যাচ গড়াপেটার প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি লুকিয়ে ক্রিকেটীয় আইনে অপরাধ করেছেন, ফলে আগামী ৩ বছর কোনো ধরনেই ক্রিকেটেই অংশ নিতে পারবেন না ২৯ বছর বয়সী পাকিস্তানি।