বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচ জয়ের এক যুগ পূর্তি হচ্ছে আজ

চট্টগ্রামে ২০০৬ সা‌লের,৬ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল ঐতিহাসিক সেই টেস্টটি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসেই ৪৮৮ রানের পাহাড়সমান সংগ্রহ গড়ে তুলে বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ৯৪ রান করেন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। ৮৯ আসে রাজিন সালেহর ব্যাট থেকে।

জবাব দিতে নেমে মোহাম্মদ রফিকের ঘূর্ণি আর মাশরাফি বিন মর্তুজার গতিঝড়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ৮৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারানোর পর তাতেন্দা তাইবুর ৯২ আর এলটন চিগুম্বুরার ৭১ রানে কোনোমতে ৩১২ রান পর্যন্ত যেতে পেরেছিল সফরকারিরা। রফিক ৫টি আর মাশরাফি নেন ৩টি উইকেট।

বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নামা বাংলাদেশকে আবারও পথ দেখান অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। তার ৫৫ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ২০৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা।

জিম্বাবুয়ের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিল ৩৮১ রানের। এবার ঘূর্ণি জাদু দেখান এনামুল হক জুনিয়র। একাই ৬ উইকেট নিয়ে সফরকারিদের ১৫৪ রানে গুটিয়ে দেন বাঁহাতি এই স্পিনার। ২টি করে উইকেট নেন তাপস বৈশ্য আর মাশরাফি বিন মর্তুজা।

ওই সিরিজেই নিজেদের ইতিহাসের প্রথম সিরিজ জয়েরও দেখা পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টটি ড্র করে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় হাবিবর বাংলাদেশ। অথচ এত বড় সংগ্রহ পেলেও সেঞ্চুরি ছিল না কোনো ব্যাটসম্যানের। দলের সবাই কম বেশি অবদান রাখেন। সর্বোচ্চ ৯৪ রান করেন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। ৮৯ আসে রাজিন সালেহর ব্যাট থেকে।

জবাব দিতে নেমে মোহাম্মদ রফিকের ঘূর্ণি আর মাশরাফি বিন মর্তুজার গতিঝড়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ৮৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারানোর পর তাতেন্দা তাইবুর ৯২ আর এলটন চিগুম্বুরার ৭১ রানে কোনোমতে ৩১২ রান পর্যন্ত যেতে পেরেছিল সফরকারিরা। রফিক ৫টি আর মাশরাফি নেন ৩টি উইকেট।

বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নামা বাংলাদেশকে আবারও পথ দেখান অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। তার ৫৫ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ২০৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা।

জিম্বাবুয়ের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছিল ৩৮১ রানের। এবার ঘূর্ণি জাদু দেখান এনামুল হক জুনিয়র। একাই ৬ উইকেট নিয়ে সফরকারিদের ১৫৪ রানে গুটিয়ে দেন বাঁহাতি এই স্পিনার। ২টি করে উইকেট নেন তাপস বৈশ্য আর মাশরাফি বিন মর্তুজা।

ওই সিরিজেই নিজেদের ইতিহাসের প্রথম সিরিজ জয়েরও দেখা পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টটি ড্র করে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ ক্র‌িকেট দলটি।