পরিসংখ্যানে ইংল্যান্ড বনাম সুইডেন

217

দ্বিতীয় পর্বের শেষে ঘটন অঘটনের রাশিয়া বিশ্বকাপ এসে উপনীত হয়েছে কোয়ার্টার ফাইনালে। শেষ আটের লড়াইগুলো অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ৬ ও ৭ জুলাই। আর সেমিফাইনালে যাবার লড়াইয়ে দুই ইউরোপিয়ান ফুটবল শক্তি ইংল্যান্ড ও সুইডেন পরস্পরের মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৭ জুলাই বাংলাদেশ সময়ে রাত ৮টায়। চলুন তবে দুই দলের মুখোমুখি লড়াই, পরিসংখ্যান আর খুটিনাটি বিষয়ের দিকে-

কোয়ার্টার ফাইনালঃ ইংল্যান্ড বনাম সুইডেন

কোয়ার্টার ফাইনালের পথে ইংল্যান্ডঃ
প্রথম রাউন্ডে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘জি’ গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে পা রাখে ইংল্যান্ড। প্রথম দুই ম্যাচে তিউনিসিয়া আর নবাগত পানামার বিপক্ষে যথাক্রমে ২-১ আর ৬-১ গোলে জয় পেলেও শেষ ম্যাচে বেলজিয়ামের কাছে ০-১ গোলে পরাজিত হয় ইংলিশরা। রাউন্ড অফ সিক্সটিনে কলম্বিয়ার বিপক্ষে নির্ধারিত আর অতিরিক্ত সময়ে খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকায় টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলের জয়ে ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের শেষ আটে পৌছায় ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

কোয়ার্টার ফাইনালের পথে সুইডেনঃ
গ্রুপপর্বে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেব নকআউট রাউন্ড নিশ্চিত করে সুইডেন। দ্বিতীয় ম্যাচে ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির কাছে পরাজিত হলেও প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১-০ আর শেষ ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ই যথেষ্ট ছিল ১৯৫৮ সালের ফাইনালিস্টরা। রাউন্ড অফ সিক্সটিনে সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৯৯৬ সালের পর প্রথমবারের মত শেষ আটে পা রাখে সুইডিশরা।

কলম্বিয়াকে হারানোর পর ইংল্যান্ড দল

হেড টু হেডঃ

ইংল্যান্ড ও সুইডেন এর আগে এখন পর্যন্ত ২৪ বার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে

ইংল্যান্ডের জয়ঃ

সুইডেনের জয়ঃ

ড্রঃ

বিশ্বকাপে মুখোমুখিঃ
বিশ্বকাপের মঞ্চে এখন পর্যন্ত দুবার মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড ও সুইডেন এবং দুবারই দুদলের লড়াই শেষ হয়েছে অমীমাংসিতভাবে। ২০০২ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে দুদলের ম্যাচটি শেষ হয় ১-১ গোলের ড্রয়ে। ৪ বছর পর ২০০৬ বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয় দুদল এবং এবার দুদলের মধ্যকার লড়াইয় শেষ হয় ২-২ গোলের ড্রয়ে।

ইংল্যান্ডের বড় জয়ঃ
ইংল্যান্ড ৪-০ সুইডেন (প্রীতি ম্যাচ, ১৯৩৭)

সুইডেনের বড় জয়ঃ
সুইডেন ৪-২ ইংল্যান্ড (প্রীতি ম্যাচ, ২০১২)

সুইজারল্যান্ড এর বিপক্ষে গোল উদযাপন করছে সুইডেন

ইংল্যান্ড বনাম সুইডেন ফ্যাক্টরঃ

সুইডেন যদি জিতে যায় তাহলে জার্মানি এবং সুইজারল্যান্ড এর পর তৃতীয় ইউরোপীয় টিম হবে যারা ইংল্যান্ড কে বিশ্বকাপ এবং ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ দুটোতেই হারবে।

সুইডেন তাদের সর্বশেষ ৪ কোয়ার্টারের ৩টিতেই সেমিফাইনাল খেলেছে। (১৯৩৮,১৯৫৮,১৯৯৪ বিশ্বকাপ) হেরেছিল শুধু ১৯৩৪ বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে।

২০০৬ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম কোয়ার্টার খেলছে ইংল্যান্ড, যখন তারা পর্তুগাল এর কাছে পেনাল্টি তে হেরেছিল ।

ইংল্যান্ডের বড় শক্তিঃ
ইংল্যান্ডের মূল শক্তি তাদের টিম কম্বিনেশন। এই দলটির প্রতিটি সদস্যই খেলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলে থাকেন। ফলে দলের প্রত্যেকেই প্রত্যেকের সামর্থ্য আর শক্তির দিক সম্পর্কে অবগত।

সুইডেনের বড় শক্তিঃ
সুইডেনের বর্তমান দলটিকে ধরা হচ্ছে দেশটির ফুটবল ইতিহাসের সোনালী প্রজন্ম। বাছাইপর্বে নেদারল্যান্ডস আর প্লে অফে ইতালি বাধা টপকে মূল পর্বে জায়গা করে নেয় সুইডেন। দলটির মূলশক্তি তাদের ইস্পাতকঠিন রক্ষণভাগ এবং পজেশন ভিত্তিক দলগত নিঁখুত গেম প্লে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here