ভারত-পাকিস্তান ছাপিয়ে বৃষ্টির জয়; প্রথম দল হিসেবে সুপারফোরে পাকিস্তান

ক্রিকেট দুনিয়ার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ম্যাচটি গত এক দশক ধরেই কালেভদ্রে দেখা যায়। সেই অগ্নিগর্ভ ম্যাচটি যদি বৃষ্টিতে ভেসে যায়, এর চেয়ে দুঃখের আর কী হতে পারে দর্শকদের জন্য? এশিয়া কাপে আজ এমন ঘটনাই ঘটল। ভারত ২৬৬ রানে অলআউট হওয়ার পর পাকিস্তান আর ব্যাটিংয়েই নামতে পারেনি। দফায় দফায় বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচটি। ভারত-পাকিস্তানের মর্যাদার লড়াই হলো পরিত্যক্ত। আর তারই সাথে প্রথম দল হিসেবে এশিয়া কাপের সুপারফোরে উঠে গেল পাকিস্তান।

এর আগে পাল্লেকেলে ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৮.৫ ওভারে ২৬৬ রানে অল-আউট হয় ভারত। শুরু থেকেই পাকিস্তানের তিন পেসারের সামনে রোহিত শর্মারা নাকাল হয়ে যায়। ভারতের সবগুলো উইকেটই নিয়েছেন পাকিস্তানের এই তিন পেসার।

দলীয় ১৫ রানে ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মার (১১) স্টাম্প উপড়ে শুরু করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ভারতের ব্যাটিং সুপারস্টার বিরাট কোহলিকেও মাত্র ৪ রানে বোল্ড করেন এই তারকা পেসার। উইকেট শিকারের মিছিলে তার সঙ্গে যোগ দেন হারিস রউফ। পরপর তুলে শ্রেয়স আয়ার (১৪) এবং ৩২ বলে ১০ রান করা ওপেনার শুভমান গিলকে।

৬৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ভারতের ইনিংস গড়ার দায়িত্ব নেন ইশানা কিশান এবং হার্দিক পান্ডিয়া।
মারকুটে ব্যাটিংয়ে ৫৪ বলে ফিফটি তুলে নেন ইশান। অপরদিকে হার্দিকও ৬২ বলে তুলে নেন ফিফটি। ১৪১ বলে ১৩৮ রানের এই জুটি ভাঙে ইশান কিশানের বিদায়ে। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ৮১ বলে ৯ চার ২ ছক্কায় ৮২ রান করে হারিস রউফের বলে বাবর আজমের তালুবন্দি হন এই তরুণ।

আশ্চর্যজনকভাবে হার্দিকও সেঞ্চুরি পাননি! ৯০ বলে ৭ চার ১ ছক্কায় ৮৭ রান করে শাহিন আফ্রিদির বলে আগা সালমানের হাতে ধরা পড়েন। শার্দুল ঠাকুরকে (৩) ফেরান নাসিম শাহ। শেষদিকে জসপ্রিত বুমরাহ ১৪ বলে ৩ চারে করেন ১৬ রান। ৪৮.৫ ওভারে ২৬৬ রানে অলআউট হয় ভারত। শাহিন আফ্রিদি ১০ ওভারে মাত্র ৩৫ রানে নেন ৪ উইকেট।

এছাড়া নাসিম শাহ ৩৬ রানে ৩টি এবং হারিস রউফ ৫৮ রানে ৩ উইকেট নেন। পরবর্তীতে বৃষ্টির কারণে পাকিস্তান আর ব্যাটিংয়ে নামতে না পারায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।