এগিয়ে গিয়েও মোহনবাগানের কাছে হেরে আবাহনীর বিদায়

এএফসি কাপে ভারতের মোহনবাগানকে কখনো হারাতে পারেনি বাংলাদেশের কোনো ক্লাব। এবারের আসরে ইতিহাস বদলানোর দারুণ সুযোগ এসেছিল আবাহনীর সামনে। হলো না। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ৬ বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিড নিয়েও ৩-১ গোলে হেরে গেছে ভারতের জায়ান্টদের কাছে।

আজ (মঙ্গলবার) কলকাতার সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই বাংলার দুই ঐতিহ্যবাহিক দলের লড়াইয়ে আবাহনী এগিয়ে গিয়েছিল খেলার ধারার বিপরীতে।

১৫ মিনিটে আবাহনীর নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এমেকার শট ঠিকঠাক মতো ধরতে পারেননি মোহনবাগানের গোলরক্ষক বিশাল কাইত। তার হাত ফসকে বল বের হয়ে গেলে সুযোগ কাজে লাগান আবাহনীর গ্রানাডিয়ান ফরোয়ার্ড স্টুয়ার্ট কর্নেলিয়াস।

বিরতি পর্যন্তও লিড ধরে রাখতে পারেনি আবাহনী। ৩৫ মিনিটে সুশান্ত ত্রিপুরা স্বাগতিক দলের এক ফরোয়ার্ডকে বক্সে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। গত কাতার বিশ্বকাপে খেলা অস্ট্রেলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসন কামিন্স গোল করে ম্যাচে সমতা আনেন।

দ্বিতীয়ার্ধে আবাহনীর জালে দুইবার বল জড়ায়। একবার নিজেরাই জালে বল দিয়ে পিছিয়ে পড়ে। ৫৮ মিনিটে ইরানের মিলাদ শেখ আত্মঘাতী গোল করলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।

৬০ মিনিটে মোহনবাগানের সাদিকু করেন ব্যবধান বাড়ানো গোল। ৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচটি চলে যায় মোহনবাগানের হাতে। ব্যবধান ধরে রেখে মোহনবাগান জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এ নিয়ে চতুর্থ সাক্ষাতে আবাহনীকে তৃতীয়বার হারালো মোহনবাগান। তিনবারই আবাহনী হেরেছে ৩-১ ব্যবধানে।

উল্লেখ্য, এ হারে আবাহনী বিদায় নিলো এএফসি কাপের প্লে-অফ পর্ব থেকে। জিতে মোহনবাগান উঠে গেলো গ্রুপপর্বে।