একাই সাতটি ভাষায় ‘গালি’ দিতে পারেন এই অস্ট্রেলিয়ান আম্পায়ার!

25

ক্রিকেটকে এক কথায় বলা হয় ভদ্রলোকের খেলা। আর এই খেলা পরিচালনার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকায় থাকেন আম্পায়ারেরা। একটি ম্যাচ পরিচালনায় তিনজনেরও বেশি আম্পায়ার থাকেন মাঠে। সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে থাকেন একজন টিভি আম্পায়ার। তবে এর মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেন অনেকে। ম্যাচ পরিচালনায় সততাও অন্যতম জনপ্রিয়তার কারণ। এদের মধ্যেই একজন সাইমন টফেল। মাঠে ক্রিকেটারদের মাঝে কোনো ঝামেলা বাধলেও পরিস্থিতি সামলে নিতে খুব একটা বেগ পোহাতে হয়নি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই আম্পায়ারকে।

সব মিলিয়ে নিপাট ভদ্রলোক হিসেবেই পরিচিতি আছে তার। কিন্তু সেই টফেলের মুখে এ কেমন কথা! নিজের সম্পর্কে টফেল যে তথ্য দিয়েছেন, সেটা বিশ্বাস করতে অনেকে দ্বিধায় পড়ে গেছেন। আর কেউ নয়, স্টিভ ওয়াহ-রিকি পন্টিংদের এই স্বদেশী নিজেই বলেছেন, সাতটি ভাষায় গালি দিতে জানেন তিনি।

টফেল ইচ্ছা করে গালি শিখেছেন, তেমন নয়। আম্পায়ারিং করার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেতে হয়েছে তাকে। বিভিন্ন সংস্কৃতি খুব কাছ থেকে দেখেছেন টফেল। মাঠেই শুনেছেন অনেক গালিও। সেই সুবাদেই বেশ কয়েকটি ভাষার খারাপ শব্দ শেখা হয়ে গেছে আইসিসির এলিট প্যানেলের সাবেক এই আম্পায়ারের। ভারতের ভিসভেসভায়ারা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে একটি সেশন চালানোর সময় ছাত্রদের সঙ্গে এই ব্যাপারটি শেয়ার করেছেন টফেল।

এ নিয়ে টফেল বলেন,

‘ক্রিকেট আম্পায়ার হিসেবে আমি একটা ব্যাপার শিখেছি। সেটা হলো, বিভিন্ন দেশের স্থানীয় ভাষার ভালো শব্দ শিখেছি আমি। এখন আমি সাতটি ভাষার খারাপ শব্দও জানি। যেটা মাঠে দুর্ঘটনা সামলাতে আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। এভাবে শেখার ব্যাপারটি তোমরা তোমাদের ক্যারিয়ারে প্রয়োগ করতে পারো। তবে তোমাদের ভীত শক্ত হতে হবে।’

২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আম্পায়ারিং ছেড়ে দেন টফেল। আইসিসির এলিট প্যানেল থেকে সরে দাঁড়িয়ে আম্পায়ার পারফরম্যান্স অ্যান্ড ট্রেনিং অফিসার হিসেবে যোগ দেন। ২০১৫ সালের অক্টোবরে এই দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ান তিনি। দারুণ জনপ্রিয় এই আম্পায়ার ১৯৯৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ৭৪ টেস্ট, ১০৪ ওয়ানডে এবং ৩৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছেন।