প্রচ্ছদ প্রচ্ছদ

সোসিয়েদাদে হোঁচট বার্সার; ফসকে যেতে পারে শীর্ষস্থানও

স্প্যানিশ লা লীগার ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ড্র করেছে বার্সেলোনা। নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ গোলের সমতায় শেষ হলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই সমানে-সমান লড়াই করতে শুরু করে। যদিও ঠিক মতো নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি বার্সায় আক্রমনভাগের খেলোয়াড়রা। উল্টো ম্যাচের দ্বাদশ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন ওয়েরজাবাল।

৩৭তম মিনিটে বার্সেলোনাকে সমতায় ফেরান গ্রীজম্যান। যদিও সাবেক দলের বিপক্ষে গোল করায় কোন সেলিব্রেশন করেননি এই ফরাসী ফুটবলার।

১-১ সমতায়ই শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা। দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। সতীর্থের পাস অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে ধরে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু নিজে শট না নিয়ে বাড়ান বাঁ দিকে সুয়ারেজকে। অনায়াসে আসরে নিজের নবম গোলটি করেন উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকার।

দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে মেসির দারুণ কর্নারে হেড করেছিলেন বিশ্রাম শেষে ফেরা জেরার্দ পিকে। বল লক্ষ্যেই ছিল, শেষমুহূর্তে গোললাইন থেকে ফেরায় স্বাগতিকরা।

৬২তম মিনিটে সোসিয়েদাদের সমতায় ফেরা গোলে কিছুটা ভাগ্যের ছোঁয়া ছিল। বাঁ দিক থেকে ওইয়ারসাবালের শট ইভান রাকিতিচের পায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে ঢুকতে যাচ্ছিল, ঝাঁপিয়ে রুখে দেন মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। কিন্তু বিপদমুক্ত করতে পারেননি তিনি, আলগা বল ছোট ডি-বক্সের মুখে পেয়ে জালে ঠেলেন দেন আলেক্সান্দার ইসাক।

১৬ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে এখনো লীগ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে বার্সেলোনা। এক পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। যদিও তারা একটি ম্যাচ কম খেলেছে। আগামীকাল ভ্যালেন্সিয়াকে হারাতে পারলেই এককভাবে শীর্ষে চলে যাবে মাদ্রিদের জায়ান্টরা।

ঢাকা পর্ব শেষে শীর্ষে রাজশাহী; দেখুন বাকিদের অবস্থান..।

শেষ হল বিপিএলের ঢাকা পর্ব দুই দিন বিরতি দিয়ে ১৭ ডিসেম্বর থেকে চট্টগ্রামে শুরু হবে এবারের বিপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। তো চলুন ঢাকা পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলে কোন দলের অবস্থান কোথায়

বিপিএলের ঢাকা পর্বে সবচেয়ে দুর্দান্ত ছিল রাজশাহী রেঞ্জার্স। নিজদের খেলা দুই ম্যাচেই প্রতিপক্ষকে কোন প্রকার প্রতিরোধই গড়তে দেয়নি তারা। তাই সভাবতই ২ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী।

অন্যদিকে সমান ৩ টি করে ম্যাচ খেলে ২টি করে ম্যাচ জিতে নেট রানরেটে পিছিয়ে থেকে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ঢাকা প্লাটুন ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

যথাক্রমে ১ ও ২ ম্যাচ খেলে ১টি করে জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানটি খুলনা টাইগার ও কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের। তবে যথক্রমে ৩টি ও ২টি করে ম্যাচ খেলে কোন জয়ের দেখা না পেয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানীতে রয়েছে সিলেট থান্ডার্স ও রংপুর রয়েলস।

চলছে লিভারপুলের জয়রথ

ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচে প্রত্যাশিত জয় পেয়েছে লীগ লিডার লিভারপুল। ওয়াটফোর্ডকে ২-০ গোলের ব্যবধানে সহজেই হারিয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা।

অ্যানফিল্ডে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মোহাম্মদ সালাহ। বাঁ-প্রান্ত দিয়ে ফিরমিনোর কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সে সালাহর কাছে পাঠিয়ে দেন সাদিও মানে। কাছেই থাকা ওয়াটফোর্ডের এক ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে ডান পায়ের শটে বল জালে জড়ান মিশরীয় তারকা।

ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে দল ও নিজের জোড়া গোল আদায় করে নেন সালাহ। ডি-বক্সে মানের শট অরিগির গায়ে লেগে দিক পাল্টে গিয়ে পড়ে সালাহর পায়ে। সুযোগসন্ধানী মিশরীয়ান কেবল ব্যাকহিলই করেছেন, তাতেই মিলেছে গোল।

এই জয়ে ১৭ ম্যাচে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ক্লপের শিষ্যরা। দ্বিতীয়স্থানে থাকা লেস্টার সিটির সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট। তিনে থাকা ম্যান সিটির সংগ্রহ ৩২ পয়েন্ট!

বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর নিয়ে যা বললেন পাপন

জানুয়ারির শেষের দিকে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের৷ তবে জানা যায় জাতীয় কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফ পাকিস্তানে লম্বা সফর করতে রাজি নয়। তবে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কথা শুনে মনে হয়েছে জাতীয় দলের আদলে অন্যকোন দল হলেও পাকিস্তানে পাঠানোর চিন্তা করছে বিসিবি।

শনিবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নাজমুল হাসান বলেন, কেউ (কোন ক্রিকেটার) যদি না যেতে চায়, যাবে না। এটা তো জোর করার কিছু নেই। বোর্ড থেকে কাউকে জোর করে পাঠানো হবে না। এটা হল এখন পর্যন্ত যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তাহলে আমার চিন্তা। কাউকে জোর করে পাঠানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বিকল্প টিম যাবে, নাকি ওরাই যাবে, সেটি পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।’

বোর্ড সভাপতি যখন এমন কথা বলেন, তখন আর বুঝতে বাকি থাকে না যে, দল পাঠানো হচ্ছে। তার মানে ধরেই নেয়া যায়, বাংলাদেশ জাতীয় দলের মোড়কে জানুয়ারির শেষে ও ফেব্রুয়ারি মিলে একটি দল পাকিস্তান যাবে। তবে সে দলে কারা থাকবেন, সেটা নির্ভর করছে আসলে কারা কারা যাবেন বা যেতে চাইবেন তার ওপর।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে পাপন বলেন, আমরা সিকিউরিটির ব্যাপারে সরকারের কাছে যে আবেদন করেছিলাম, নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যাপারে ছাড়পত্র পাব কি না, সেটির জন্য পাঠিয়েছিলাম। এর আগে মেয়েদের টিম গিয়েছে, এইচপি দল গিয়েছে। ওরা খেলে এসেছে। জাতীয় দলের ছাড়পত্র এখনো আমরা পাইনি। যদিও সিকিউরিটির ব্যাপারে যদি জিজ্ঞেস করেন, সেটা অনূর্ধ্ব-১২ হোক কিংবা জাতীয় দল; নিরাপত্তা নিরাপত্তাই। সবার জন্য একই হওয়ার কথা। তাই আমরা ধরে নিচ্ছি সম্ভাবনা রয়েছে নিরাপত্তা ছাড়পত্র পেয়ে যাওয়ার।’

বিসিবি সভাপতি যোগ করেন, ‘তারপরও যেহেতু আমরা হাতে পাইনি কাগজটা। এবং ওনারা গিয়েছেন দেখেছেন। সেক্ষেত্রে আমরা আমরা আশা করছি যে কোনো দিন পেয়ে যাব। পাওয়ার পর বলতে পারব আমাদের সিদ্ধান্তটা কী। কারণ এখানে একটা হচ্ছে সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স। পরবর্তীতে বড় প্রশ্ন আছে প্লেয়ারদের। তাদের মতামতও এখানে গুরুত্বপূর্ণ, কে যেতে চাইবে কে চাইবে না। এখানে অনেকগুলো ব্যাপার আছে। বোর্ডের সিদ্ধান্তের ব্যাপার আছে। সবমিলিয়ে সবকিছু প্রায় শেষের দিকে আছে। নিরাপত্তা ছাড়পত্র পাওয়ার পরই আমরা বসব। আশা করছি আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে এটার একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারব।’

আর্জেন্টিনার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেয়া লাভেজ্জির বিদায়

শেষ পর্যন্ত সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ড উইঙ্গার এজেকুয়েল লাভেজ্জি। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে ৫১ টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ হয় তার। ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে দলে ছিলেন তিনি। ওই বিশ্বকাপে ফাইনালসহ ৬ টি ম্যাচ খেলেন লাভেজ্জি । আর্জেন্টিনাকে রানার্সআপ করার পেছনে তার বড় অবদান ছিলো। এছাড়া লাভেজ্জি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কাছে জনপ্রিয় তার ডেডিকেশনের জন্য। জীবন উজার করে খেলতেন আকাশী-নীলের এই সেনানী।

গত ২৭ নভেম্বর চাইনিজ ক্লাব হেবেই ফরচুনের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছেন লাভেজ্জি। সেই ম্যাচে তার দল ৩-১ ব্যবধানে হারলেও দলের হয়ে একমাত্র গোলটি লাভেজ্জির পা থেকেই আসে। এরপরই লাভেজ্জি দিয়েছিলেন অবসরের ইঙ্গিত। আজ এক টুইট বার্তায় নিজের অবসরের খবর নিশ্চিত করেন লাভেজ্জি। লাভেজ্জি বলেন,“বছরগুলো দারুণ ছিল। বছরের পর বছর যে স্মৃতিগুলো আমি অর্জন করেছি তা আজীবন আমার মধ্যে থাকবে। পুরো যাত্রায় আমার পাশে যারা ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব।”

চাইনিজ ক্লাব হেবেই ফরচুন হয়ে খেলার আগে ইতালির ক্লাব নাপোলিতে পাঁচ বছর ও ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে প্রায় সাড়ে চার বছর খেলছেন তিনি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ফুটবল দুনিয়া লাভেজ্জিকে মনে রাখবে খেলাটার প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা ও সীমাহীন ডেডিকেটেশনের কারনে। নিজেকে তো উজার করে ফুটবলকে সবটুকু বিলিয়ে দিয়েছিলো ছেলেটা।

মাশরাফি-হাসান মাহমুদের বোলিং তান্ডবে উড়ে গেল সিলেট

ঢাকায় বঙ্গবন্ধু বিপিএলের প্রথমপর্বের শেষ ম্যাচে সিলেট থান্ডার্সকে ২৩ রানে হারিয়েছে ঢাকা প্লাটুন।

টস হেরে ঢাকার হয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেন তামিম ইকবাল ও এনামুল হক। ৮৫ রানের জুটি গড়ে মোসাদ্দেকের বলে ৩৫ রানে ফিরেন তামিম ইকবাল।

তামিম ফিরলেও দুর্দান্ত অর্ধশতক হাঁকান এনামুল হক। পরবর্তীতে মাত্র ৪২ বলে ১ ছক্কা ও ৮ চারে ৬২ রানে করে ফিরেন। পরবর্তীতে ইভানস ২১ বলে ২১ ও জাকের আলী ১২ বলে ২০ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন।

শেষ দিকে থিসারা পেরেরা ১১ বলে ২২ রানের ঝড়ো ইনিংসের উপর ভর করে নির্ধারিত ওভার শেষে ১৮২ রান জড়ো করে ঢাকা প্লাটুন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেটের দুই ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার ও রনি তালুকদার। ব্যাক্তিগত ১০ রান করে হাসান মাহমুদের বলে বিদায় নেন ফ্লেচার। তার সাথে সাথে ১৪ রান করে ফিরতে হয় আরেক ওপেনার রনি তালুকদারকে।

দুই ওপেনার ফিরলেও দাঁড়াতে পারে চার্লস ও মিথুন। চার্লস ১৯ ও মিথুন ফিরেন ৮ রানে। পরবর্তীতে সিলেট অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত মাত্র ৪৩ বলে ২ ছক্কা ৬ চারে ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেও হার এড়াতে পারেনি সিলেট থান্ডার্স। ২৪ রানে হারতে হয় মোসাদ্দেক-মিথুনদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ঢাকা প্লাটুন- ১৮২/৪(২০)
এনামুল ৬২(৪২), তামিম ৩১(২৮)
মোসাদ্দেক ১/১৬

সিলেট থান্ডার্স- ১৫৮/৭(২০)
মোসাদ্দেক ৬০(৪৪)*, চার্লস ১৯(৮)
হাসান মাহমুদ ২/২৪, মাশরাফি ২/২৯

(ফলাফল: ২৩ রানে জয়ী ঢাকা প্লাটুন)

ঢাকা প্লাটুন একাদশ:
তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয়, জাকের আলি অনিক, লরি ইভানস, আরিফুল হক, মেহেদি হাসান, শাদাব খান, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), থিসারা পেরেরা, হাসান মাহমুদ এবং ওয়াহাব রিয়াজ।

সিলেট থান্ডার্স একাদশ:
রনি তালুকদার, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (অধিনায়ক), জনসন চার্লস, আন্দ্রে ফ্লেচার, শফিকুল্লাহ, নাইম হাসান, নাজমুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, ইবাদত হোসেন, ক্রিসমার সান্তোকি।

বিসিবির খাবার খেয়ে গুরুতর অসুস্থ ২০ এরও অধিক সাংবাদিক!

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাংবাদিকদের জন্য খাবার সরবরাহ করছে সেভেনহিল রেষ্টুরেন্ট থেকে। নামী প্রতিষ্ঠান হলেও রেষ্টুরেন্ট থেকে খাবার প্যাকেটজাত করে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে নিয়ে আসার পথেই হয়ে যাচ্ছে ঠাণ্ডা। যা খেয়ে প্রতিদিনই পেটে পীড়া অনুভব করছেন পেশাদার কাজে প্রেসবক্সে আসা ক্রীড়া সাংবাদিকরা।

বিপিএলের শুরু থেকেই খাবার নিয়ে অসন্তুষ্টি ছিল সাংবাদিকদের। শুক্রবার দুপুরের খাবার ও সন্ধ্যার নাস্তা খেয়ে বাসায় ফেরার পর রাতে প্রায় ২০ জনের বমি ও পাতলা পায়খানা হতে থাকে। অসুস্থতার কারণে শনিবার মিরপুরে ম্যাচ কাভার করতে আসতে পারেননি কয়েকজন।

শুক্রবার দুপুরে মারা যাওয়া তরুণ ক্রীড়া সাংবাদিক অর্ণব মজুমদার দীপায়ন (২৭) বৃহস্পতিবার স্টেডিয়ামে পেশাদার কাজ শেষ করে বাসায় যাওয়ার পর পেটের পীড়ায় ভুগছিলেন। পরদিন বাসার পাশের একটি ফার্মেসিতে ঔষধ কিনতে গিয়ে জ্ঞান হারান অর্ণব। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ক্রীড়া প্রতিবেদক। চিকিৎসকরা জানান, হৃদরোগে আক্রান্তহয়ে মৃত্যু হয়েছে তার।

ডেইলি স্টার অনলাইনের ক্রীড়া প্রতিবেদক একুশ তাপাদার বিসিবির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর বেরিয়ে আসে ভয়াবহ চিত্র। তিনে লিখেন- ‘বিপিএলে দুপুরে সাংবাদিকের জন্য যে লাঞ্চ রাখা হয় তা মোটেও স্বাস্থ্যকর না। বেশ আগে রান্না করা ও প্যাকেটে থাকা সে খাবার ঠাণ্ডা। এই খাবার খেয়ে গতকাল (বৃহস্পতিবার) আমাদের একজন সহকর্মী অসুস্থ-বোধ করেন। আমরা আরও অনেকেই এ ক’দিন এই খাবার খেয়ে অস্বস্তি বোধ করেছি। আজ তাই আমরা অনেকেই বাইরে গিয়ে খেয়ে এসেছি। ম্যাচ কাভার করতে এসে বাইরে গিয়ে খাওয়া আমাদের পেশাজনিত কারণে একটা সমস্যা। খেলার অনেক কিছু মিস হয়ে যায়। অনুরোধ থাকবে, বিসিবি খাবার দেন ভালো কিন্তু সে খাবার যেন হয় ফ্রেশ। বেশি কিছু না- ভাত, ডিম ডালই দেন তবে তা যেন হয় ফ্রেশ।’

ওই সাংবাদিকের মন্তব্যের পর যারা খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়েছেন তারা একে একে গ্রুপে জানান নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা। তাদের অভিযোগ, বাসি খাবার খাওয়াতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারা। বিসিবির সরবারাহ করা খাবার স্বাস্থ্যকর না হওয়ায় অনেকেই হোটেল থেকে খেয়ে আসছেন মাঠে। বাসা থেকেও খেয়ে আসছেন কেউ কেউ।

খাবার নিয়ে সাংবাদিকদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হলে বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার রাবীদ ইমাম জানান, তার ডিপার্টমেন্টের (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন) কয়েকজনও নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সেভেনহিলের খাবার খেয়ে। তিনি জানান, এই খাবার বন্ধ করে দেয়া হবে। লজিস্টিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে অন্য কোথাও থেকে খাবার আনা হবে।’

২০১১ বিশ্বকাপে বিসিবির সরবরাহ করা খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন ৮১ জনের মতো র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য। তাদের মধ্যে ৫ জনকে ভর্তি হতে হয়েছিল হাসপাতালে।

সূত্রঃ চ্যানেল আই অনলাইন।

মাত্র ৫ বছর বয়সেই গ্রাজুয়েট ডেভিড ওয়ার্নারের মেয়ে ইভি মে

মাত্র কয়েকদিন আগে পঞ্চম জন্মদিনের কেক কেটেছে ক্রিকেটার ডেভিড ওয়ার্নারের মেয়ে ইভি মে। আর সেই ইভিই এখন গ্রাজুয়েট। কি অবাক হয়ে গেলেন! মাত্র ৫ বছরে একটা মেয়ে কিভাবে গ্রাজুয়েশন শেষ করল। তবে আশ্চর্য হলেও এটাই সত্য।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) নিজের ইনস্টাগ্রামে মেয়ে ইভির গ্রাজুয়েশনের হেট পরিহিত ছবি পোস্ট দিয়ে এই সুখবরটা দেন অসি তারকা।

যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমার আদরের মেয়ে ইভি আজ গ্রাজুয়েট হল। খুবই লক্ষ্মী একটা মেয়ে সে। আমি সেভাবে তার দেখভাল করার সময় পাই না। তবু সে নিয়মিত পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি তাকে অনেক অনেক ভালোবাসি।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যেটা নিশ্চয়ই দিবাস্বপ্নের মতো। তবে অস্ট্রেলিয়ায় অসম্ভব কিছু না। অবশ্য আমাদের গ্রাজুয়েশন আর তাদের গ্রাজুয়েশনের মধ্যে বড় একটা ফারাক আছে। অস্ট্রেলিয়ানরা চাইলে স্কুল থেকেই গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করতে পারে।

বিপিএলে উজ্জ্বল ওপেনার নাইম শেখ

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের সপ্তম ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত অর্ধশতক হাঁকান রংপুরের ওপেনার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নাঈম শেখ।

চট্টগ্রাম বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান তিনি। তাতে বড় স্কোরের পথে এগিয়ে যায় দল। তবে ১৮তম ওভারের শেষ বলে রুবেল হোসেনকে চিকি শট খেলতে গিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বাঁহাতি ওপেনার। ফেরার আগে ৫৪ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৭৮ রান করেন তিনি।

ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় মোহাম্মদ নাইম শেখের। যেখানে আলো ছড়িয়েছেন তরুণ এই বাঁহাতি এই ওপেনার। টি-টোয়েন্টিতে মাত্র তৃতীয় ম্যাচে ৩৪ বলে ৭টি চার ও একটি ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক করেন তিনি

বিপিএলে ফিক্সিং : স্যান্তোকিকে নিয়ে বিশ্বমিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়!

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে চলমান আসরের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও সিলেট থান্ডার । দ্বিতীয় ইনিংসে চট্টগ্রাম ব্যাট করার সময়ে দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসেছিলেন ক্যারিবিয়ান বোলার ক্রিসমার সান্তোকি। তার অদ্ভুতুড়ে এক নো বল আবার একই সময়ে অবিশ্বাস্য এক ওয়াইড সমালোচনার জন্ম দিয়েছে ক্রিকেট মহলে। যেখানে বাদ যায়নি ভারতের আনন্দ বাজার, হিন্দুস্তান টাইমস, পত্রিকা কিংবা ব্রিটিশ ‘দ্যা গার্ডিয়ান,দ্য রিপাবলিকও’।

স্যান্তোকি নিজের প্রথম ওভারে বোলিংয়ে এসে তৃতীয় ও পঞ্চম ডেলিভারিটি সবাইকে অবাক করেছে। তৃতীয় ডেলিভারিতে লেগ সাইডে দিয়েছেন অবিশ্বাস্য ওয়াইড। এরপর পঞ্চম বলে যে ‘নো বল’টি করলেন সেটিও অবিশ্বাস্য। পেশাদার ক্রিকেটারের এত বড় ওয়াইড ও নো বল মেনে নিতে পারেনি ক্রিকেট ভক্তরা । আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এমনকি এ আলোচনা ছড়িয়ে যায় বিশ্ব সংবাদমাধ্যমেও। যেখানে সান্তোকির এই অবিশ্বাস্য নো-বল নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন তুলেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা। সেখানেও বলা হয় সান্তোকির এ ‘নো বল’ বিষয়টি অবিশ্বাস্য।

ভারতের আরেক জনপ্রিয় পত্রিকা হিন্দুস্থান টাইমস লিখেছে- ”
স্যান্তোকির এমন অদ্ভুত ওয়াইড আর নো বল ফিক্সিং এর আবাস দিচ্ছে।

তাছাড়া এই নিয়ে বিখ্যাত ইংলিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে – “এটা অবিশ্বাস্য। সে ইচ্ছে করলে বলটা ভালভাবে করতে পারতো “।

কিন্তু অবাক করার বিষয় বিদেশের মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লেও এখনো বিসিবির কোন পদক্ষেপ এ ব্যাপারে নিতে দেখা যায়নি